ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

৯৯৯-এ ফোন, জামালপুরে দুই চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার

চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার সেলিম মিয়া ও মুকুল হোসেন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর সদর উপজেলায় বিধবা খালেদা বেগমের (৭০) বাড়িতে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই যুবক। ভুক্তভোগীর ৯৯৯ নম্বরের ফোন পেয়ে ২৫ নভেম্বর সোমবার রাতে জামালপুর পৌরসভার বগাবাইদ বোর্ডঘর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুই যুবক হলেন জামালপুর পৌরসভার উত্তর কাছারিপাড়া এলাকার তারা মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া (২৮) ও ছনকান্দা উত্তর কুটুরিয়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে মুকুল হোসেন (৩০)।

খালেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী মারা গেছে প্রায় দশ বছর ধরে। এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। ছেলেটাও ঢাকায় থাকে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বাড়িতে আমি আর আমার ছেলের বউ বসবাস করি। বেশকিছু দিন আগে থেকেই কিছু চাঁদাবাজ ৪-৫ লাখ টাকা চাঁদা চেয়ে আসছিল। আমি চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা বাড়ির বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙতে শুরু করে। কোনো উপায় না পেয়ে ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফয়সল আতিক বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, গ্রেপ্তার সেলিম মিয়া ও মুকুল হোসেন বৃদ্ধার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ২৫ নভেম্বর সোমবার তারা আবারও চাঁদা চাইতে গেলে বৃদ্ধা খালেদা বেগম অস্বীকার করলে তারা দেয়াল ভাঙতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে খালেদা বেগম বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনা চরে উচ্চফলনশীল ভুট্টা চাষে কৃষকের মুখে হাসি

৯৯৯-এ ফোন, জামালপুরে দুই চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৪০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

জামালপুর সদর উপজেলায় বিধবা খালেদা বেগমের (৭০) বাড়িতে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই যুবক। ভুক্তভোগীর ৯৯৯ নম্বরের ফোন পেয়ে ২৫ নভেম্বর সোমবার রাতে জামালপুর পৌরসভার বগাবাইদ বোর্ডঘর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুই যুবক হলেন জামালপুর পৌরসভার উত্তর কাছারিপাড়া এলাকার তারা মিয়ার ছেলে সেলিম মিয়া (২৮) ও ছনকান্দা উত্তর কুটুরিয়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে মুকুল হোসেন (৩০)।

খালেদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী মারা গেছে প্রায় দশ বছর ধরে। এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। ছেলেটাও ঢাকায় থাকে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বাড়িতে আমি আর আমার ছেলের বউ বসবাস করি। বেশকিছু দিন আগে থেকেই কিছু চাঁদাবাজ ৪-৫ লাখ টাকা চাঁদা চেয়ে আসছিল। আমি চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা বাড়ির বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙতে শুরু করে। কোনো উপায় না পেয়ে ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মোহাম্মদ ফয়সল আতিক বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, গ্রেপ্তার সেলিম মিয়া ও মুকুল হোসেন বৃদ্ধার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। ২৫ নভেম্বর সোমবার তারা আবারও চাঁদা চাইতে গেলে বৃদ্ধা খালেদা বেগম অস্বীকার করলে তারা দেয়াল ভাঙতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে খালেদা বেগম বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেছেন।