ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত আবদুল্লাহ আল-হারুন : জার্মানিতে বাসরত বহুমুখী প্রতিভাধর বাংলাভাষী লেখক সড়ক সংস্কার করে দিলেন ফাহাদ হোসেন রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন করার সক্ষমতা রাখে না সেই সরকার দেশ পরিবর্তন করবে কীভাবে : নাহিদ দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মাদারগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে একজনের কারাদণ্ড

জামালপুরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জামালপুর জেলা বিএনপি।

মহান স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১ জুন, সোমবার বিকালে জামালপুর জেলা বিএনপি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি লোকমান আহাম্মেদ খান লোটনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমাদের জাতির সবচাইতে বড় অর্জন হচ্ছে স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পাককালে ২৫ শে মার্চ কালরাত্রিতে পাক-হানাদার বাহিনী যখন অতর্কিতভাবে এ জাতির মুক্তিকামী মানুষের উপর বর্বরিত হামলা চালিয়ে নির্বিচারে হত্যা, গুম-খুন, ধর্ষণ শুরু করে। সেই সময় জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না। বিএনপি রাজনৈতিক দল ছিল না।

তিনি আরও বলেন, সেই সময় জাতির মুক্তিকামী মানুষের কাঙ্খিত নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। কাঙ্খিত দল ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান একজন নেতা হয়ে সেই দিন এই জাতিকে মুক্তির সঠিক পথ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। উনি স্বাধীনতার পথ না দেখিয়ে পাক-সরকারের সাথে দেন-দরবারে ব্যস্ত ছিলেন। যে মানুষটি রাজনৈতিক নেতা না হয়ে বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন এ জাতির মুক্তির জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধের কোন বিকল্প নাই।

ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, যিনি পাকিস্তান সরকারের সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকারকে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। যিনি চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। যিনি জানতেন বাংলাদেশ যদি স্বাধীন না হতো পাকিস্তান সরকারের সেনাবাহিনীর কোর্ট মার্শাল অনুযায়ী তাকে ফাঁসির কাস্টে ঝুলানো হত। এটি জানার পরেও যিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে। তার নাম জিয়াউর রহমান।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মনিরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শহিদুল হক খান দুলাল, সাবেক সহ-সভাপতি মো. লিয়াকত আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান শফি, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ আহসানুজ্জামান রুমেল, খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের সদস্য মাওলানা কাজী মসিউর রহমান, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহ মো. বিল্লাল হোসেন, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ প্রমুখ।

আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জামালপুর জেলা বিএনপি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত

জামালপুরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেট সময় ১১:০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

মহান স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১ জুন, সোমবার বিকালে জামালপুর জেলা বিএনপি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি লোকমান আহাম্মেদ খান লোটনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আমাদের জাতির সবচাইতে বড় অর্জন হচ্ছে স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পাককালে ২৫ শে মার্চ কালরাত্রিতে পাক-হানাদার বাহিনী যখন অতর্কিতভাবে এ জাতির মুক্তিকামী মানুষের উপর বর্বরিত হামলা চালিয়ে নির্বিচারে হত্যা, গুম-খুন, ধর্ষণ শুরু করে। সেই সময় জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না। বিএনপি রাজনৈতিক দল ছিল না।

তিনি আরও বলেন, সেই সময় জাতির মুক্তিকামী মানুষের কাঙ্খিত নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। কাঙ্খিত দল ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান একজন নেতা হয়ে সেই দিন এই জাতিকে মুক্তির সঠিক পথ দেখাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। উনি স্বাধীনতার পথ না দেখিয়ে পাক-সরকারের সাথে দেন-দরবারে ব্যস্ত ছিলেন। যে মানুষটি রাজনৈতিক নেতা না হয়ে বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন এ জাতির মুক্তির জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধের কোন বিকল্প নাই।

ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, যিনি পাকিস্তান সরকারের সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় সর্বপ্রথম পাকিস্তান সরকারকে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। যিনি চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। যিনি জানতেন বাংলাদেশ যদি স্বাধীন না হতো পাকিস্তান সরকারের সেনাবাহিনীর কোর্ট মার্শাল অনুযায়ী তাকে ফাঁসির কাস্টে ঝুলানো হত। এটি জানার পরেও যিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে। তার নাম জিয়াউর রহমান।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মনিরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শহিদুল হক খান দুলাল, সাবেক সহ-সভাপতি মো. লিয়াকত আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান শফি, জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ আহসানুজ্জামান রুমেল, খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান আরমান, কেন্দ্রীয় ওলামা দলের সদস্য মাওলানা কাজী মসিউর রহমান, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহ মো. বিল্লাল হোসেন, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ প্রমুখ।

আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জামালপুর জেলা বিএনপি।