ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল! জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দেবে : উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধূমকেতু রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : একটি ঐতিহাসিক বয়ান

মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল!

মাদারগঞ্জ : সংযোগ নেই। মিটার নেই। তবুও গ্রাহকের কাছে বিল দেয় পবিস। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল।নতুন মিটারের জন্য আবেদন করার পর সংযোগ দেওয়ার আগেই এমন বিল পাওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক নিমাই চন্দ্র সরকার।

মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরুর আগেই বিল তৈরির ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।

ভুক্তভোগী নিমাই চন্দ্র সরকার বলেন, আমার বাসায় দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার সংযোগের জন্য আবেদন করি। কিন্তু নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই আমার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের জন্য একটি বিল এসেছে। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেই কীভাবে বিল তৈরি হল?

সরেজমিন দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ৬৯২ টাকা।

মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, সংযোগই যেখানে দেওয়া হয়নি। সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল কিভাবে তৈরি হল? বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মিটার ও সংযোগ ছাড়াই কিভাবে বিল তৈরি হল এমন প্রশ্নের জবাবে পবিস’র তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ভুল হয়ে গেছে।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম এই প্রতিবেদককে বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কিভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হল, সেই বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কিভাবে বিল আসে, তা আমার জানা নেই। উনাদের যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন।

বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল!

আপডেট সময় ০৯:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়নি। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল।নতুন মিটারের জন্য আবেদন করার পর সংযোগ দেওয়ার আগেই এমন বিল পাওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক নিমাই চন্দ্র সরকার।

মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরুর আগেই বিল তৈরির ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের বিলিং ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।

ভুক্তভোগী নিমাই চন্দ্র সরকার বলেন, আমার বাসায় দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার সংযোগের জন্য আবেদন করি। কিন্তু নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই আমার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের জন্য একটি বিল এসেছে। বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেই কীভাবে বিল তৈরি হল?

সরেজমিন দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ৬৯২ টাকা।

মিটার স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, সংযোগই যেখানে দেওয়া হয়নি। সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল কিভাবে তৈরি হল? বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

মিটার ও সংযোগ ছাড়াই কিভাবে বিল তৈরি হল এমন প্রশ্নের জবাবে পবিস’র তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল করা যায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ভুল হয়ে গেছে।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম এই প্রতিবেদককে বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এমন সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কিভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হল, সেই বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কিভাবে বিল আসে, তা আমার জানা নেই। উনাদের যারা নিয়ন্ত্রণ করেন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন।