ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ডাক কর্মচারীদের ধর্মঘট জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত সীমান্তে সড়ক সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দিলেন বিভাগীয় কমিশনার প্রতিশ্রুতির বন্যা : জনসেবা নাকি ভোটের রাজনীতি? মাদারগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

নির্বাচনে ভোটার কম হওয়ার পেছনে ৫ কারণ দেখছেন ওবায়দুল কাদের

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার পেছনে পাঁচটি কারণ দেখছেন। ভোটার উপস্থিতির কারণ বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভোটের দিন ছুটি ছিল। অনেক ভোটার বাড়ি চলে গেছেন। বড় একটি দল অংশ নেয়নি। দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। তা ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল।

১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিএনপির ভোটে অংশ না নেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী কাদের বলেন, সুবিধা বুঝে বিএনপি নির্বাচন করে। এর আগে তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। তখন চারটি সিটি করপোরেশনে তারা জিতেছিল। তাতে তো আকাশ ভেঙে পড়েনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতি জোয়ার-ভাটার মতো। আজ আমরা আছি, কাল না-ও থাকতে পারি। একটি রাজনৈতিক দল আজীবন ক্ষমতায় থাকবে, এমন অহংবোধ থাকা উচিত নয়। তিনি বলেন, বিএনপি যেভাবে একের পর এক নির্বাচন বয়কট করা শুরু করেছে, তাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাওয়া, মোটেই গণতান্ত্রিক পথ নয়। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও নেতা-কর্মীরা কিন্তু অংশ নিচ্ছে। অংশ নেওয়া নেতাদের বহিষ্কার করা হলেও মাঠের কর্মীরা থেমে নেই।

উত্তর সিটি উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালে সাদেক হোসেন খোকা যে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাঁর চেয়ে ভালো ভোট হয়েছে। ভোটের দিন এমনিতেই ছুটির দিন ছিল। অনেক ভোটার ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে গেছে, বড় একটি দল অংশ নেয়নি, দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। এ ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল। ২০০১ সালে ১০ ভাগ ভোট নিয়ে সাদেক হোসেন খোকা মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এত কিছুর পরেও তুলনামূলক উপস্থিতি অনেক বেশি।

আওয়ামী লীগ প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজেদের চেহারা ঢেকে ফেলার চেষ্টা করছে—বিএনপির এই অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে এখন কথামালার চাতুরী ছাড়া তাদের আর কিছু বলার নেই।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সদস্য এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে ভোটার কম হওয়ার পেছনে ৫ কারণ দেখছেন ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৮:০০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার পেছনে পাঁচটি কারণ দেখছেন। ভোটার উপস্থিতির কারণ বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভোটের দিন ছুটি ছিল। অনেক ভোটার বাড়ি চলে গেছেন। বড় একটি দল অংশ নেয়নি। দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। তা ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল।

১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিএনপির ভোটে অংশ না নেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী কাদের বলেন, সুবিধা বুঝে বিএনপি নির্বাচন করে। এর আগে তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। তখন চারটি সিটি করপোরেশনে তারা জিতেছিল। তাতে তো আকাশ ভেঙে পড়েনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতি জোয়ার-ভাটার মতো। আজ আমরা আছি, কাল না-ও থাকতে পারি। একটি রাজনৈতিক দল আজীবন ক্ষমতায় থাকবে, এমন অহংবোধ থাকা উচিত নয়। তিনি বলেন, বিএনপি যেভাবে একের পর এক নির্বাচন বয়কট করা শুরু করেছে, তাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাওয়া, মোটেই গণতান্ত্রিক পথ নয়। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও নেতা-কর্মীরা কিন্তু অংশ নিচ্ছে। অংশ নেওয়া নেতাদের বহিষ্কার করা হলেও মাঠের কর্মীরা থেমে নেই।

উত্তর সিটি উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালে সাদেক হোসেন খোকা যে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাঁর চেয়ে ভালো ভোট হয়েছে। ভোটের দিন এমনিতেই ছুটির দিন ছিল। অনেক ভোটার ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে গেছে, বড় একটি দল অংশ নেয়নি, দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। এ ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল। ২০০১ সালে ১০ ভাগ ভোট নিয়ে সাদেক হোসেন খোকা মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এত কিছুর পরেও তুলনামূলক উপস্থিতি অনেক বেশি।

আওয়ামী লীগ প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজেদের চেহারা ঢেকে ফেলার চেষ্টা করছে—বিএনপির এই অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে এখন কথামালার চাতুরী ছাড়া তাদের আর কিছু বলার নেই।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সদস্য এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।