ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী সরকারি খরচায় অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৫ মামলা নিষ্পত্তি ১৩ জেলায় স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক পদে ১৩ উপসচিবকে পদায়ন ইসলামপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন, দামে খুশি কৃষক মাদারগঞ্জে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত নকলায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রাব্বেনুর চৌধুরী, শুভেচ্ছা বিনিময়, আর্থিক সহায়তা প্রদান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বাংলাদেশে ঠাঁই নেই : মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল সরিষাবাড়ীতে পূজা মন্ডপে অসুস্থ হয়ে মন্দির কমিটির নেতার মৃত্যু নকলায় দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, বস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা দিলেন এমপি ফাহিম চৌধুরী

নির্বাচনে ভোটার কম হওয়ার পেছনে ৫ কারণ দেখছেন ওবায়দুল কাদের

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার পেছনে পাঁচটি কারণ দেখছেন। ভোটার উপস্থিতির কারণ বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভোটের দিন ছুটি ছিল। অনেক ভোটার বাড়ি চলে গেছেন। বড় একটি দল অংশ নেয়নি। দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। তা ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল।

১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিএনপির ভোটে অংশ না নেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী কাদের বলেন, সুবিধা বুঝে বিএনপি নির্বাচন করে। এর আগে তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। তখন চারটি সিটি করপোরেশনে তারা জিতেছিল। তাতে তো আকাশ ভেঙে পড়েনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতি জোয়ার-ভাটার মতো। আজ আমরা আছি, কাল না-ও থাকতে পারি। একটি রাজনৈতিক দল আজীবন ক্ষমতায় থাকবে, এমন অহংবোধ থাকা উচিত নয়। তিনি বলেন, বিএনপি যেভাবে একের পর এক নির্বাচন বয়কট করা শুরু করেছে, তাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাওয়া, মোটেই গণতান্ত্রিক পথ নয়। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও নেতা-কর্মীরা কিন্তু অংশ নিচ্ছে। অংশ নেওয়া নেতাদের বহিষ্কার করা হলেও মাঠের কর্মীরা থেমে নেই।

উত্তর সিটি উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালে সাদেক হোসেন খোকা যে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাঁর চেয়ে ভালো ভোট হয়েছে। ভোটের দিন এমনিতেই ছুটির দিন ছিল। অনেক ভোটার ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে গেছে, বড় একটি দল অংশ নেয়নি, দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। এ ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল। ২০০১ সালে ১০ ভাগ ভোট নিয়ে সাদেক হোসেন খোকা মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এত কিছুর পরেও তুলনামূলক উপস্থিতি অনেক বেশি।

আওয়ামী লীগ প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজেদের চেহারা ঢেকে ফেলার চেষ্টা করছে—বিএনপির এই অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে এখন কথামালার চাতুরী ছাড়া তাদের আর কিছু বলার নেই।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সদস্য এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজার বছর ধরে সব ধর্মের মানুষ শান্তি-সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করুক : প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে ভোটার কম হওয়ার পেছনে ৫ কারণ দেখছেন ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৮:০০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার পেছনে পাঁচটি কারণ দেখছেন। ভোটার উপস্থিতির কারণ বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভোটের দিন ছুটি ছিল। অনেক ভোটার বাড়ি চলে গেছেন। বড় একটি দল অংশ নেয়নি। দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। তা ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল।

১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিএনপির ভোটে অংশ না নেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী কাদের বলেন, সুবিধা বুঝে বিএনপি নির্বাচন করে। এর আগে তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। তখন চারটি সিটি করপোরেশনে তারা জিতেছিল। তাতে তো আকাশ ভেঙে পড়েনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতি জোয়ার-ভাটার মতো। আজ আমরা আছি, কাল না-ও থাকতে পারি। একটি রাজনৈতিক দল আজীবন ক্ষমতায় থাকবে, এমন অহংবোধ থাকা উচিত নয়। তিনি বলেন, বিএনপি যেভাবে একের পর এক নির্বাচন বয়কট করা শুরু করেছে, তাতে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে। নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাওয়া, মোটেই গণতান্ত্রিক পথ নয়। বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলেও নেতা-কর্মীরা কিন্তু অংশ নিচ্ছে। অংশ নেওয়া নেতাদের বহিষ্কার করা হলেও মাঠের কর্মীরা থেমে নেই।

উত্তর সিটি উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালে সাদেক হোসেন খোকা যে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন, তাঁর চেয়ে ভালো ভোট হয়েছে। ভোটের দিন এমনিতেই ছুটির দিন ছিল। অনেক ভোটার ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে গেছে, বড় একটি দল অংশ নেয়নি, দিনের শুরু থেকে বৃষ্টির বাগড়া ছিল। এ ছাড়া এটা একটি উপনির্বাচন। সব মিলিয়ে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল। ২০০১ সালে ১০ ভাগ ভোট নিয়ে সাদেক হোসেন খোকা মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এত কিছুর পরেও তুলনামূলক উপস্থিতি অনেক বেশি।

আওয়ামী লীগ প্লাস্টিক সার্জারি করে নিজেদের চেহারা ঢেকে ফেলার চেষ্টা করছে—বিএনপির এই অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে এখন কথামালার চাতুরী ছাড়া তাদের আর কিছু বলার নেই।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সদস্য এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।