ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার অধিকার চায় : বীর প্রতীক হাকিম

সরিষাবাড়ী : বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি বীর প্রতীক আব্দুল হাকিম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বীর প্রতীক আব্দুল হাকিম বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৬ বছরে এসেও অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে অপমানিত হতে দেখলাম। মুক্তিযোদ্ধারা যারা বেঁচে আছেন তারা যেন সম্মানের সাথে বসবাস করতে পারেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এই দাবি জানাচ্ছি।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখায় যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হাকিম বীর প্রতীককে ১৮ মে, সোমবার দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি। এ সময় সংবর্ধিত অতিথি বীর প্রতীক আব্দুল হাকিম এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি স্মৃতিচারণ করে আরও বলেন, চোখের সামনে নিরীহ মানুষের উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা দেখে আর ঘরে বসে থাকতে পারিনি। মা-বাবার চোখের জল আর বোনের সুরক্ষার দায়িত্ব পেছনে ফেলে এক কাপড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলাম। মনে তখন একটাই মন্ত্র- দেশ স্বাধীন করতে হবে, নয় তো মরে ফিরব।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজাত আলী, জেলা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতির সভাপতি ফজলুল হক, কার্যকারী কমিটির সদস্য মো. মজিবর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মজনু, বীর মুক্তিযোদ্ধা দ্বীপক কুমার দাস বুলবুল, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গোপালপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. শাহজাহান মিয়া, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিতোষ চন্দ্র দে’র স্ত্রী মিতালি রাণী দে প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধারা সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার অধিকার চায় : বীর প্রতীক হাকিম

আপডেট সময় ১০:১৩:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

বীর প্রতীক আব্দুল হাকিম বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৬ বছরে এসেও অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে অপমানিত হতে দেখলাম। মুক্তিযোদ্ধারা যারা বেঁচে আছেন তারা যেন সম্মানের সাথে বসবাস করতে পারেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এই দাবি জানাচ্ছি।

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখায় যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল হাকিম বীর প্রতীককে ১৮ মে, সোমবার দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি। এ সময় সংবর্ধিত অতিথি বীর প্রতীক আব্দুল হাকিম এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি স্মৃতিচারণ করে আরও বলেন, চোখের সামনে নিরীহ মানুষের উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা দেখে আর ঘরে বসে থাকতে পারিনি। মা-বাবার চোখের জল আর বোনের সুরক্ষার দায়িত্ব পেছনে ফেলে এক কাপড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলাম। মনে তখন একটাই মন্ত্র- দেশ স্বাধীন করতে হবে, নয় তো মরে ফিরব।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজাত আলী, জেলা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতির সভাপতি ফজলুল হক, কার্যকারী কমিটির সদস্য মো. মজিবর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মজনু, বীর মুক্তিযোদ্ধা দ্বীপক কুমার দাস বুলবুল, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গোপালপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. শাহজাহান মিয়া, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিতোষ চন্দ্র দে’র স্ত্রী মিতালি রাণী দে প্রমুখ।