ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের প্রত্যয় : বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: দারিদ্র্যমুক্ত ও টেকসই রাষ্ট্র গঠন জামালপুরে স্ক্রিপ্ট প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন জামালপুরে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ শেরপুরের গারো পাহাড়ে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির ১০ বছর করে আটকাদেশ ইসলামপুরে স্বাক্ষর জাল করে এতিম খানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসির ফল বিপর্যয়, ৪৩৯ জনে পাস ১১১ জামালপুরে সাক্ষরতা কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে বিধবা নারীকে বিয়ে করায় ঘরছাড়া নবদম্পতি ইত্তেফাকুল উলামা জামালপুর জেলা কমিটিতে শামসুদ্দিন সভাপতি ও মোহাম্মদ আলী সম্পাদক নির্বাচিত

ঘোড়াধাপে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল কালোবাজারে

জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে কালোবাজারে বিক্রি করা সরকারের ১০ টাকা কেজি মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম এ অভিযান চালান। জব্দ করা চালগুলো এ কর্মসূচির ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে নিয়োজিত ডিলার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমানের বলে নিশ্চিত হয়েছে অভিযানকারী দলটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিলার মো. মতিউর রহমান ১১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের স্থানীয় সাবুর মোড়ে তার দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রি করেন। বিকেলের দিকে তিনি তার দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ চাল সরিয়ে ফেলেন। চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন। পরে স্থানীয়রা মুঠোফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিকিৎসক মফিজুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউএনও’র নির্দেশে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম ও স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম রাত নয়টার দিকে ওই ইউনিয়নের সাবুর মোড় এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় স্থানীয় তিনটি পৃথক স্থান থেকে প্রতিবস্তা ৩০ কেজি ওজনের ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ওরফে বিলু মিয়ার বাড়ি থেকে ৮৭ বস্তা, সোলায়মান হোসেনের দোকান থেকে ২০ বস্তা এবং আবুল কালামের বাড়ি থেকে ৮৩ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী হাকিম এস এম মাজহারুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, জব্দ করা চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির। প্রাথমিকভাবে ডিলার মো. মতিউর রহমান তার বরাদ্দের চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জব্দকৃত চালগুলো স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ডিলার মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের প্রত্যয় : বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: দারিদ্র্যমুক্ত ও টেকসই রাষ্ট্র গঠন

ঘোড়াধাপে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল কালোবাজারে

আপডেট সময় ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে কালোবাজারে বিক্রি করা সরকারের ১০ টাকা কেজি মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম এ অভিযান চালান। জব্দ করা চালগুলো এ কর্মসূচির ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে নিয়োজিত ডিলার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমানের বলে নিশ্চিত হয়েছে অভিযানকারী দলটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিলার মো. মতিউর রহমান ১১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের স্থানীয় সাবুর মোড়ে তার দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রি করেন। বিকেলের দিকে তিনি তার দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ চাল সরিয়ে ফেলেন। চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন। পরে স্থানীয়রা মুঠোফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিকিৎসক মফিজুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউএনও’র নির্দেশে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম ও স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম রাত নয়টার দিকে ওই ইউনিয়নের সাবুর মোড় এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় স্থানীয় তিনটি পৃথক স্থান থেকে প্রতিবস্তা ৩০ কেজি ওজনের ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ওরফে বিলু মিয়ার বাড়ি থেকে ৮৭ বস্তা, সোলায়মান হোসেনের দোকান থেকে ২০ বস্তা এবং আবুল কালামের বাড়ি থেকে ৮৩ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী হাকিম এস এম মাজহারুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, জব্দ করা চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির। প্রাথমিকভাবে ডিলার মো. মতিউর রহমান তার বরাদ্দের চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জব্দকৃত চালগুলো স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ডিলার মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।