ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার বর্তমান সরকার একটি উৎপাদনমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করছে : শামীম তালুকদার উপাত্ত ছাড়া যে কোনো তথ্য কেবলই ব্যক্তিগত অভিমত : তথ্যমন্ত্রী জামালপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী নজরুল মেলা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

ঘোড়াধাপে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল কালোবাজারে

জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে কালোবাজারে বিক্রি করা সরকারের ১০ টাকা কেজি মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম এ অভিযান চালান। জব্দ করা চালগুলো এ কর্মসূচির ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে নিয়োজিত ডিলার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমানের বলে নিশ্চিত হয়েছে অভিযানকারী দলটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিলার মো. মতিউর রহমান ১১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের স্থানীয় সাবুর মোড়ে তার দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রি করেন। বিকেলের দিকে তিনি তার দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ চাল সরিয়ে ফেলেন। চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন। পরে স্থানীয়রা মুঠোফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিকিৎসক মফিজুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউএনও’র নির্দেশে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম ও স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম রাত নয়টার দিকে ওই ইউনিয়নের সাবুর মোড় এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় স্থানীয় তিনটি পৃথক স্থান থেকে প্রতিবস্তা ৩০ কেজি ওজনের ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ওরফে বিলু মিয়ার বাড়ি থেকে ৮৭ বস্তা, সোলায়মান হোসেনের দোকান থেকে ২০ বস্তা এবং আবুল কালামের বাড়ি থেকে ৮৩ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী হাকিম এস এম মাজহারুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, জব্দ করা চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির। প্রাথমিকভাবে ডিলার মো. মতিউর রহমান তার বরাদ্দের চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জব্দকৃত চালগুলো স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ডিলার মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

ঘোড়াধাপে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল কালোবাজারে

আপডেট সময় ১১:০৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
জব্দ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে কালোবাজারে বিক্রি করা সরকারের ১০ টাকা কেজি মূল্যের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করেছে সদর উপজেলা প্রশাসন। ১১ সেপ্টেম্বর রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম এ অভিযান চালান। জব্দ করা চালগুলো এ কর্মসূচির ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে নিয়োজিত ডিলার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমানের বলে নিশ্চিত হয়েছে অভিযানকারী দলটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিলার মো. মতিউর রহমান ১১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘোড়াধাপ ইউনিয়নের স্থানীয় সাবুর মোড়ে তার দোকানে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রি করেন। বিকেলের দিকে তিনি তার দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ চাল সরিয়ে ফেলেন। চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা সন্দেহ করেন। পরে স্থানীয়রা মুঠোফোনে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চিকিৎসক মফিজুর রহমানের কাছে অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউএনও’র নির্দেশে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মাজহারুল ইসলাম ও স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম রাত নয়টার দিকে ওই ইউনিয়নের সাবুর মোড় এলাকায় অভিযান চালান। অভিযানের সময় স্থানীয় তিনটি পৃথক স্থান থেকে প্রতিবস্তা ৩০ কেজি ওজনের ১৯০ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন ওরফে বিলু মিয়ার বাড়ি থেকে ৮৭ বস্তা, সোলায়মান হোসেনের দোকান থেকে ২০ বস্তা এবং আবুল কালামের বাড়ি থেকে ৮৩ বস্তা চাল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী হাকিম এস এম মাজহারুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, জব্দ করা চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির। প্রাথমিকভাবে ডিলার মো. মতিউর রহমান তার বরাদ্দের চালগুলো কালোবাজারে বিক্রি করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। জব্দকৃত চালগুলো স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ডিলার মতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।