ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়েই মিমিকে হত্যা: কাউসার গ্রেপ্তার মাদারগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, তিন দোকানিকে জরিমানা সরিষাবাড়ীতে নদীতে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু  মাদারগঞ্জে ৮০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ধ্বংস ঘোষণার মধ্যদিয়ে সামাজিক ব্যধিমুক্তির আন্দোলন আরো জোরদার হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন সরিষাবাড়ীতে রাসেল হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী : মিল্লাত নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের ১২ ঘন্টা পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

বকশীগঞ্জে সার না পেয়ে কৃষকদের বিক্ষোভ

বকশীগঞ্জ : সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় কৃষকেরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা। অবরোধের ফলে বকশীগঞ্জ-রৌমারী সড়কের বাট্টাজোড় নতুন বাজারে প্রায় দুই ঘন্টা যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ২ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দুপর সাড়ে ১২ টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।

জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলায় চলতি রবি মওসুমে ইউরিয়া ও নন ইউরিয়া সারের তীব্র সঙ্কট দেখা দেয়। কৃষকেরা তাদের চাহিদামত সার পাচ্ছিলেন না। এতে করে কৃষকদের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ২ ডিসেম্বর সকাল থেকে বাট্টাজোড় ইউনিয়নের নতুন বাজারে ডিলারের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরাদ্দকৃত সারের তুলনায় বেশি কৃষক সার নিতে আসায় ডিলার রোমান মিয়া সার সরবরাহ বন্ধ রাখেন।

এতে ক্ষীপ্ত হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় কয়েক শ’ কৃষক সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন তারা। অবরোধের কারণে বকশীগঞ্জ-রৌমারী সড়কে দীর্ঘ ২ কিলোমিটার যানজট দেখা দেয়।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৃষকদের সাথে কথা বলেন। ভোটার আইডি কার্ড দেখে সার সরবরাহের আশ্বাস দিলে কৃষকেরা তাদের অবরোধ তুলে নেন।

স্থানীয় কৃষক আয়তুল্লাহ সাজু বলেন, আমাদের যা সার প্রযোজন তার তুলনায় সার পাচ্ছি না। ডিলার সার দিতে পারছেন না। কিন্তু বাজারে দোকান থেকে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে চাষাবাদ হুমকির মুখে পড়বে। কৃষক মাহমুদ উজ্জামান, কহিনুর বেগম ও রতনা বেগমও একই অভিযোগ করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রতি মাসেই সারের বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু চাহিদার চেয়ে কৃষকেরা বেশি সার দাবি করেন। তাই জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে প্রকৃত কৃষকদের সার সরবরাহ করা হবে। কৃষকেরা জমির পরিমাণ অনুযায়ী চাহিদামত সার নিলে কোন সঙ্কট হবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে সার না পেয়ে কৃষকদের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ১১:১৫:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা। অবরোধের ফলে বকশীগঞ্জ-রৌমারী সড়কের বাট্টাজোড় নতুন বাজারে প্রায় দুই ঘন্টা যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ২ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দুপর সাড়ে ১২ টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।

জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলায় চলতি রবি মওসুমে ইউরিয়া ও নন ইউরিয়া সারের তীব্র সঙ্কট দেখা দেয়। কৃষকেরা তাদের চাহিদামত সার পাচ্ছিলেন না। এতে করে কৃষকদের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ২ ডিসেম্বর সকাল থেকে বাট্টাজোড় ইউনিয়নের নতুন বাজারে ডিলারের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরাদ্দকৃত সারের তুলনায় বেশি কৃষক সার নিতে আসায় ডিলার রোমান মিয়া সার সরবরাহ বন্ধ রাখেন।

এতে ক্ষীপ্ত হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় কয়েক শ’ কৃষক সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন তারা। অবরোধের কারণে বকশীগঞ্জ-রৌমারী সড়কে দীর্ঘ ২ কিলোমিটার যানজট দেখা দেয়।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে কৃষকদের সাথে কথা বলেন। ভোটার আইডি কার্ড দেখে সার সরবরাহের আশ্বাস দিলে কৃষকেরা তাদের অবরোধ তুলে নেন।

স্থানীয় কৃষক আয়তুল্লাহ সাজু বলেন, আমাদের যা সার প্রযোজন তার তুলনায় সার পাচ্ছি না। ডিলার সার দিতে পারছেন না। কিন্তু বাজারে দোকান থেকে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে হচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে চাষাবাদ হুমকির মুখে পড়বে। কৃষক মাহমুদ উজ্জামান, কহিনুর বেগম ও রতনা বেগমও একই অভিযোগ করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রতি মাসেই সারের বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু চাহিদার চেয়ে কৃষকেরা বেশি সার দাবি করেন। তাই জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে প্রকৃত কৃষকদের সার সরবরাহ করা হবে। কৃষকেরা জমির পরিমাণ অনুযায়ী চাহিদামত সার নিলে কোন সঙ্কট হবে না।