ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘটনা ধামাচাপা দিয়েও পার পেলনা ঘাতক স্বামী!

আসমা আক্তারের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

আসমা আক্তারের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের ঘটনা ঘটেছে। ২৯ এপ্রিল ভোরে জেলা সদরের চর মোচারিয়া ইউপির চরভাবনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক স্বামী আনিস মিয়াকে আটক করেছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউপির হরিণধরা গ্রামের আজিজল হকের কন্যা আসমা আক্তারের (৪০) বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী চরভবনা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে আনিস মিয়ার সাথে। এটি দু’জনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিলো। আনিস বর্তমানে ঢাকায় একটি ইটভাটায় কাজ করে। সম্প্রতি স্বামী আনিস আসমার কাছে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা চেয়ে আসছিল। এরই জের ধরে ২৯ এপ্রিল ভোরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে আনিস লাঠি দিয়ে তার স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে। এতে আসমা ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্বামী আনিস ৯৯৯ এ পুলিশকে ফোন করে জানায় তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি সন্দেহ হলে স্বামী আনিসকে আটক করে এবং স্ত্রীর মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বসির আহমেদ বাদল জানান, ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে স্বামী আনিসকে আটক করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘটনা ধামাচাপা দিয়েও পার পেলনা ঘাতক স্বামী!

আপডেট সময় ০৮:০০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৩
আসমা আক্তারের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছবি:বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের ঘটনা ঘটেছে। ২৯ এপ্রিল ভোরে জেলা সদরের চর মোচারিয়া ইউপির চরভাবনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘাতক স্বামী আনিস মিয়াকে আটক করেছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউপির হরিণধরা গ্রামের আজিজল হকের কন্যা আসমা আক্তারের (৪০) বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী চরভবনা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে আনিস মিয়ার সাথে। এটি দু’জনেরই দ্বিতীয় বিয়ে ছিলো। আনিস বর্তমানে ঢাকায় একটি ইটভাটায় কাজ করে। সম্প্রতি স্বামী আনিস আসমার কাছে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা চেয়ে আসছিল। এরই জের ধরে ২৯ এপ্রিল ভোরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে আনিস লাঠি দিয়ে তার স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে। এতে আসমা ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্বামী আনিস ৯৯৯ এ পুলিশকে ফোন করে জানায় তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি সন্দেহ হলে স্বামী আনিসকে আটক করে এবং স্ত্রীর মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বসির আহমেদ বাদল জানান, ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে স্বামী আনিসকে আটক করা হয়েছে।