ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের প্রত্যয় : বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: দারিদ্র্যমুক্ত ও টেকসই রাষ্ট্র গঠন জামালপুরে স্ক্রিপ্ট প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন জামালপুরে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ শেরপুরের গারো পাহাড়ে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির ১০ বছর করে আটকাদেশ ইসলামপুরে স্বাক্ষর জাল করে এতিম খানার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে ১৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসির ফল বিপর্যয়, ৪৩৯ জনে পাস ১১১ জামালপুরে সাক্ষরতা কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে বিধবা নারীকে বিয়ে করায় ঘরছাড়া নবদম্পতি ইত্তেফাকুল উলামা জামালপুর জেলা কমিটিতে শামসুদ্দিন সভাপতি ও মোহাম্মদ আলী সম্পাদক নির্বাচিত

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির ১০ বছর করে আটকাদেশ

জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত

জামালপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত। ১২ আগস্ট, বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর ইউনিয়নের চর গজারিয়া এলাকার মো. নজরুল ইসলামের ছেলে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান ও একই এলাকার আক্তারুজ্জামানের ছেলে আসাদ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর বিকালে ভুক্তভোগী দশম শ্রেণির ছাত্রী স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথে তাকে জোর করে সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। এর আগে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যান হবার পর ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ডালিম হাসান। মেয়ের বয়স কম থাকায় বিয়ের প্রস্তাবও নাকচ করে দেন ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে ডালিম হাসান। অপহরণ ও ধর্ষণে সহযোগিতা করে তার বন্ধু আসাদ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে অপহরণের পরদিন জামালপুর সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে জানান, ভুক্তভোগী স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করে আসামি আসাদ। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কিশোর আসামি সৈকত ইসলাম ডালিম হাসানকে নারী ও শিশু আইনের ১০/৭ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ এবং একই আইনে ধর্ষণের দায়ে ৯ এর ১ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়। অপর আসামি আসাদ যেহেতু এই ধর্ষণের কাজে এবং অপহরণের কাজে সহযোগিতা করেছে তাকে ওই একই আইনে ৭ এর ৩০ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়।

এই মামলায় আট জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য ও সমস্ত তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন আদালত।

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের প্রত্যয় : বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: দারিদ্র্যমুক্ত ও টেকসই রাষ্ট্র গঠন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির ১০ বছর করে আটকাদেশ

আপডেট সময় ১১:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত। ১২ আগস্ট, বুধবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর ইউনিয়নের চর গজারিয়া এলাকার মো. নজরুল ইসলামের ছেলে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান ও একই এলাকার আক্তারুজ্জামানের ছেলে আসাদ।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর বিকালে ভুক্তভোগী দশম শ্রেণির ছাত্রী স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। পথে তাকে জোর করে সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় আসামিরা। এর আগে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যান হবার পর ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ডালিম হাসান। মেয়ের বয়স কম থাকায় বিয়ের প্রস্তাবও নাকচ করে দেন ভুক্তভোগীর পরিবার। পরে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে ডালিম হাসান। অপহরণ ও ধর্ষণে সহযোগিতা করে তার বন্ধু আসাদ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে অপহরণের পরদিন জামালপুর সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে জানান, ভুক্তভোগী স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে সৈকত ইসলাম ওরফে ডালিম হাসান। তাকে এ কাজে সহযোগিতা করে আসামি আসাদ। তাদের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কিশোর আসামি সৈকত ইসলাম ডালিম হাসানকে নারী ও শিশু আইনের ১০/৭ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ এবং একই আইনে ধর্ষণের দায়ে ৯ এর ১ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়। অপর আসামি আসাদ যেহেতু এই ধর্ষণের কাজে এবং অপহরণের কাজে সহযোগিতা করেছে তাকে ওই একই আইনে ৭ এর ৩০ ধারা মোতাবেক ১০ বছরের আটকাদেশ প্রদান করা হয়।

এই মামলায় আট জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য ও সমস্ত তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন আদালত।