ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে চাচা-ভাতিজা হত্যা, রায়ের অপেক্ষায় দুই পরিবার হাসপাতালে বাবার মরদেহ রেখে পরীক্ষায় অংশ নেয়া নোভিদ পেল জিপিএ-৫ ইসলামপুরে ৯ শিক্ষকের বিদ্যালয়ে ৩ পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড বৈলডাঙ্গা বিলের প্রকৃতিতে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে লাল শাপলা ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে বাঁশির শব্দে ছুটল ঘোড়া, উল্লাসে মাতল হাজারো দর্শক জামালপুরে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক এপির বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই

মাদারগঞ্জে চাচা-ভাতিজা হত্যা, রায়ের অপেক্ষায় দুই পরিবার

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতার পরিকল্পনায় চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলার এক দশক পর তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এখন চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায়। ১২ আগস্ট, বুধবার মামলাটির রায় ঘোষণার সম্ভাব্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

নিহত দুই পরিবারের প্রত্যাশা, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে এবং দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে পুলিশকে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি দেখিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফার পরিকল্পনায় মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়াকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

নিহত মহর আলী (১৭) আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকার আব্দুস সালাম দফদারের ছেলে। সে মির্জা আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। নিহত স্বপন মিয়া (১৬) একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং সানাইবান্দা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সম্পর্কে তারা আপন চাচা-ভাতিজা।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফুর রহমান আতা এবং দলটির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইছাহাকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ইছাহাকের সমর্থক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করতে ১০ এপ্রিল ২০১৬ সালে গজারিয়া গ্রামে যায় পুলিশ।

বাড়ি চিনতে না পারায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশী মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়ার কাছে মোস্তফার বাড়ির অবস্থান জানতে চায় পুলিশ। তাদের দেখিয়ে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে মোস্তফা প্রতিশোধ নিতে মহর ও স্বপনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৬ মে রাতে গান-বাজনার কথা বলে আসামি সাখাওয়াত ও সোহেল তাদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান।

পরে আসামি সাদ্দামের কথিত প্রেমিকাকে তুলে আনার কথা বলে জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী (বানিয়াপাড়া চর) এলাকার ভানু ফকিরের পাটখেতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথমে মহর আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করা হয়। একইভাবে হত্যা করা হয় স্বপন মিয়াকেও।

ঘটনার তিন দিন পর ওই পাটখেত থেকে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহত স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অপর আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। বর্তমানে অভিযোগপত্রভুক্ত ১৪ আসামি কারাগারে রয়েছেন।

আসামিরা হলেন- উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে সাখাওয়াত, তাইজলের ছেলে সোহেল, মৃত গিয়াসের ছেলে চাঁন মিয়া, আছর শেখের ছেলে মো. জিয়ার, আল আমিন, মৃত ভোলা শেখের ছেলে সাদ্দাম, শাহ আলম, কামালের ছেলে উজ্জল, সোজার ছেলে অন্তর, রফিজলের ছেলে কাওসার, শহিদুলের ছেলে ফয়জুর, তারা মিয়ার ছেলে রিফাত, আব্বাস আলীর ছেলে সুমন ও মৃত নাড়ু শেখের ছেলে মোস্তফা।

নিহত মহরের ভাই জোবাইদ আলম বলেন, আমার ছোট ভাই মহর ও ভাতিজা স্বপনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ১২ আগস্ট মামলার রায় হবে। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চাই। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস পাবে না।

মামলার বাদী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মহর ও স্বপন কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল না। তাদের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছিল, যা আমাদের গভীরভাবে হতাশ করেছে। আমরা শুধু আমার ছেলে ও ভাইয়ের হত্যার ন্যায়বিচার চাই।

জামালপুর জেলা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাংগঠনিক সম্পাদক আসমাউল আসিফ বলেন, চাচা-ভাতিজা হত্যাকাণ্ডটি ছিল অত্যন্ত নৃশংস ও আলোচিত একটি ঘটনা। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এখন রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে নিহতদের পরিবার। আমরা আশা করি, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে বলেন, মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। জামালপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন ১২ আগস্ট রায় ঘোষণার সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আমরা আশা করছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে চাচা-ভাতিজা হত্যা, রায়ের অপেক্ষায় দুই পরিবার

মাদারগঞ্জে চাচা-ভাতিজা হত্যা, রায়ের অপেক্ষায় দুই পরিবার

আপডেট সময় ১১:২১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতার পরিকল্পনায় চাচা-ভাতিজা হত্যা মামলার এক দশক পর তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এখন চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায়। ১২ আগস্ট, বুধবার মামলাটির রায় ঘোষণার সম্ভাব্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

নিহত দুই পরিবারের প্রত্যাশা, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে এবং দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে পুলিশকে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি দেখিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফার পরিকল্পনায় মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়াকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

নিহত মহর আলী (১৭) আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকার আব্দুস সালাম দফদারের ছেলে। সে মির্জা আজম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। নিহত স্বপন মিয়া (১৬) একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে এবং সানাইবান্দা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সম্পর্কে তারা আপন চাচা-ভাতিজা।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফুর রহমান আতা এবং দলটির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইছাহাকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় ইছাহাকের সমর্থক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করতে ১০ এপ্রিল ২০১৬ সালে গজারিয়া গ্রামে যায় পুলিশ।

বাড়ি চিনতে না পারায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশী মহর আলী ও তার ভাতিজা স্বপন মিয়ার কাছে মোস্তফার বাড়ির অবস্থান জানতে চায় পুলিশ। তাদের দেখিয়ে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে মোস্তফা প্রতিশোধ নিতে মহর ও স্বপনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৬ মে রাতে গান-বাজনার কথা বলে আসামি সাখাওয়াত ও সোহেল তাদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান।

পরে আসামি সাদ্দামের কথিত প্রেমিকাকে তুলে আনার কথা বলে জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী (বানিয়াপাড়া চর) এলাকার ভানু ফকিরের পাটখেতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথমে মহর আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এবং পরে জবাই করে হত্যা করা হয়। একইভাবে হত্যা করা হয় স্বপন মিয়াকেও।

ঘটনার তিন দিন পর ওই পাটখেত থেকে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় নিহত স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। অপর আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সমর্থনে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। বর্তমানে অভিযোগপত্রভুক্ত ১৪ আসামি কারাগারে রয়েছেন।

আসামিরা হলেন- উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে সাখাওয়াত, তাইজলের ছেলে সোহেল, মৃত গিয়াসের ছেলে চাঁন মিয়া, আছর শেখের ছেলে মো. জিয়ার, আল আমিন, মৃত ভোলা শেখের ছেলে সাদ্দাম, শাহ আলম, কামালের ছেলে উজ্জল, সোজার ছেলে অন্তর, রফিজলের ছেলে কাওসার, শহিদুলের ছেলে ফয়জুর, তারা মিয়ার ছেলে রিফাত, আব্বাস আলীর ছেলে সুমন ও মৃত নাড়ু শেখের ছেলে মোস্তফা।

নিহত মহরের ভাই জোবাইদ আলম বলেন, আমার ছোট ভাই মহর ও ভাতিজা স্বপনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ১২ আগস্ট মামলার রায় হবে। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চাই। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার সাহস পাবে না।

মামলার বাদী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মহর ও স্বপন কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল না। তাদের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছিল, যা আমাদের গভীরভাবে হতাশ করেছে। আমরা শুধু আমার ছেলে ও ভাইয়ের হত্যার ন্যায়বিচার চাই।

জামালপুর জেলা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাংগঠনিক সম্পাদক আসমাউল আসিফ বলেন, চাচা-ভাতিজা হত্যাকাণ্ডটি ছিল অত্যন্ত নৃশংস ও আলোচিত একটি ঘটনা। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এখন রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে নিহতদের পরিবার। আমরা আশা করি, আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে বলেন, মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। জামালপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন ১২ আগস্ট রায় ঘোষণার সম্ভাব্য দিন নির্ধারণ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আমরা আশা করছি।