ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে একরাতে দুই বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি॥
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। সাধুরপাড়া ও মেরুরচর ইউনিয়নে এই দুটি বিয়ে বন্ধ করা হয়।

জানা গেছে, ৬ অক্টেবার সন্ধ্যায় মেরুরচর ইউনিয়নের আইরমারী মরারপাড়া গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার নবম শ্রেণিতে পড়–য়া শিশু কন্যা সখিনা আক্তার (১৩) সঙ্গে একই ইউনিয়নের ভাটি খেওয়ারচর গ্রামের ভুন্ডল মিয়ার ছেলে আজিজ মিয়ার বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন।

অপরদিকে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের মধ্য ধাতুয়াকান্দা গ্রামের মনর উদ্দিনের শিশু কন্যা ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুসলিমা বেগমের (১২) বিয়ের দিন ঠিক করা হয়। বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মালিরচর মৌলভী পাড়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে মনুজ মিয়ার (২০) এর সঙ্গে মুসলিমা বেগমের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। ৬ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে বিয়ের সব প্রস্ততি সম্পন্ন করা হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ইউএনও বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বাল্যবিয়ে দুটি বন্ধের পর মেয়ের অভিভাবকরা তাদের মেয়েকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দিতে অঙ্গীকার করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

বকশীগঞ্জে একরাতে দুই বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

আপডেট সময় ০২:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৮

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি॥
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। সাধুরপাড়া ও মেরুরচর ইউনিয়নে এই দুটি বিয়ে বন্ধ করা হয়।

জানা গেছে, ৬ অক্টেবার সন্ধ্যায় মেরুরচর ইউনিয়নের আইরমারী মরারপাড়া গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার নবম শ্রেণিতে পড়–য়া শিশু কন্যা সখিনা আক্তার (১৩) সঙ্গে একই ইউনিয়নের ভাটি খেওয়ারচর গ্রামের ভুন্ডল মিয়ার ছেলে আজিজ মিয়ার বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন।

অপরদিকে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের মধ্য ধাতুয়াকান্দা গ্রামের মনর উদ্দিনের শিশু কন্যা ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুসলিমা বেগমের (১২) বিয়ের দিন ঠিক করা হয়। বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মালিরচর মৌলভী পাড়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে মনুজ মিয়ার (২০) এর সঙ্গে মুসলিমা বেগমের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। ৬ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে বিয়ের সব প্রস্ততি সম্পন্ন করা হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ইউএনও বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বাল্যবিয়ে দুটি বন্ধের পর মেয়ের অভিভাবকরা তাদের মেয়েকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দিতে অঙ্গীকার করেছেন।