ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামপুরে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি জামালপুরে সেবাদানকারীদের সাথে সেবাগ্রহীতাদের মুক্ত সংলাপ অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে দুই আ.লীগনেতাসহ গ্রেপ্তার ৪ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদলকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন ওয়েজ বোর্ডসহ সাংবাদিকদের অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী জামালপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা সমাপ্ত বকশীগঞ্জে মাটিকাটার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা জামালপুরে জেলা শ্রমিকদলের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালপুর সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজের নবনির্মিত তিনটি ভবন উদ্বোধন দেওয়ানগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে একরাতে দুই বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি॥
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। সাধুরপাড়া ও মেরুরচর ইউনিয়নে এই দুটি বিয়ে বন্ধ করা হয়।

জানা গেছে, ৬ অক্টেবার সন্ধ্যায় মেরুরচর ইউনিয়নের আইরমারী মরারপাড়া গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার নবম শ্রেণিতে পড়–য়া শিশু কন্যা সখিনা আক্তার (১৩) সঙ্গে একই ইউনিয়নের ভাটি খেওয়ারচর গ্রামের ভুন্ডল মিয়ার ছেলে আজিজ মিয়ার বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন।

অপরদিকে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের মধ্য ধাতুয়াকান্দা গ্রামের মনর উদ্দিনের শিশু কন্যা ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুসলিমা বেগমের (১২) বিয়ের দিন ঠিক করা হয়। বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মালিরচর মৌলভী পাড়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে মনুজ মিয়ার (২০) এর সঙ্গে মুসলিমা বেগমের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। ৬ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে বিয়ের সব প্রস্ততি সম্পন্ন করা হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ইউএনও বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বাল্যবিয়ে দুটি বন্ধের পর মেয়ের অভিভাবকরা তাদের মেয়েকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দিতে অঙ্গীকার করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

ইসলামপুরে পাঁচ দোকান ভস্মীভূত, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

বকশীগঞ্জে একরাতে দুই বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

আপডেট সময় ০২:০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৮

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি॥
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক রাতে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। সাধুরপাড়া ও মেরুরচর ইউনিয়নে এই দুটি বিয়ে বন্ধ করা হয়।

জানা গেছে, ৬ অক্টেবার সন্ধ্যায় মেরুরচর ইউনিয়নের আইরমারী মরারপাড়া গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার নবম শ্রেণিতে পড়–য়া শিশু কন্যা সখিনা আক্তার (১৩) সঙ্গে একই ইউনিয়নের ভাটি খেওয়ারচর গ্রামের ভুন্ডল মিয়ার ছেলে আজিজ মিয়ার বিয়ের তারিখ ঠিক করা হয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন।

অপরদিকে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের মধ্য ধাতুয়াকান্দা গ্রামের মনর উদ্দিনের শিশু কন্যা ও ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুসলিমা বেগমের (১২) বিয়ের দিন ঠিক করা হয়। বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মালিরচর মৌলভী পাড়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে মনুজ মিয়ার (২০) এর সঙ্গে মুসলিমা বেগমের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। ৬ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে বিয়ের সব প্রস্ততি সম্পন্ন করা হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ইউএনও বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বাল্যবিয়ে দুটি বন্ধের পর মেয়ের অভিভাবকরা তাদের মেয়েকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে না দিতে অঙ্গীকার করেছেন।