জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় বন্যায় দেবে যাওয়া বলিয়াদহ-আগারী সেতুটি হাইড্রোলিক পাম্পের মাধ্যমে উঁচু করা হয়েছে। তিন উপজেলার যোগাযোগ মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি তিন বছর আগে বন্যার তীব্র স্রোতে দেবে যায়।
এতে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উপঠে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশেষ প্রকৌশলীর মাধ্যমে সেতুটির পুনর্বাসন কাজ শুরু করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর -এলজিইডি।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস প্রকল্পের আওতায় ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া জিসি-মাহমুদপুর জিসি সড়কের বলিয়াদহ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ১১০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতুর পুনর্বাসন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংক।
উপজেলা প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ এই প্রতিবেদককে বলেন, ২০০৭ সালে প্রায় তিন কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার ৪১১ টাকা ব্যয়ে এডিবির সহায়তায় সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কয়েক বছর আগে বন্যার পানির তীব্র স্রোতে সেতুর একটি অংশ দেবে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সেতুতে বিশেষ প্রকৌশল পদ্ধতিতে হাইড্রোলিক পাম্প ও জ্যাক ব্যবহার করে সেতুর দেবে যাওয়া অংশ প্রায় ১০ ইঞ্চি উঁচু করা হয়েছে। কাজ শেষে সেতুর স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা রাখছি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর নিচে অস্থায়ী প্লাটফর্ম নির্মাণ করে প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা পুনর্বাসন কাজ পরিচালনা করছেন। নদীতে পানি থাকার মধ্যেও সতর্কতার সঙ্গে চলছে সেতু উত্তোলনের কার্যক্রম।
এ বিষয়ে জামালপুর এলজিইডি‘র নির্বাহী প্রকৌশলী রোজদিদ আহম্মেদ এই প্রতিবেদককে বলেন, ইসলামপুর উপজেলার ধর্মকুড়া জিসি-মাহমুদপুর বাজার সড়কে ৫৪০০ মিটার চেইনেজে ১১০ মিটার সেতুর একটি অংশ নিচে দেবে যায়। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেতুটিকে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। সেতুটির দুইপাশে ১৫০ মিটার এপ্রোচ সংস্কারসহ কাজ সমাপ্ত হলে সেতুটি নিরাপদভাবে যানবাহন চলাচলের উপযোগী হবে। স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগও কমবে।
লিয়াকত হোসাইন লায়ন : নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম 


















