ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্রের জন্য খালেদা জিয়া সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন : জেলা বিএনপির সভাপতি

সরিষাবাড়ী : বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। তার আপসহীন নেতৃত্ব বাংলাদেশের মানুষ আজীবন স্মরণ করবে। তার মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

১৯ জানুয়ারি, সোমবার রাতে পৌর এলাকার ধানাটা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম।

তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবারকে উৎখাত করতে দেশে ও বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। এখন নানাবিধ ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। ময়নুউদ্দিন,  ফখরুদ্দিন সরকারসহ বিগত সরকারগুলো খালেদা জিয়াকে দেশ ত্যাগে চাপপ্রয়োগ করেছে। দেশের মানুষের জন্য চিন্তা করে তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। এজন্যে বেগম জিয়াকে গৃহবন্দি করা হয়েছিল। এছাড়াও তার দুই সন্তানকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেছে তারা। জিয়া পরিবার বাংলাদেশের মানুষের জন্য অদ্যাবদি সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।

ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম তার বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদান ও রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি  দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিন আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র এ কে এম ফয়জুল কবীর তালুকদার শাহীন, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম পিন্টু, উপজেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী লেকু, দপ্তর সম্পাদক খায়রুল আলম শ্যামল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বাবলু, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মানিক মিয়া প্রমুখ।

পরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। দোয়া মাহফিলে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতন্ত্রের জন্য খালেদা জিয়া সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন : জেলা বিএনপির সভাপতি

আপডেট সময় ১২:০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। তার আপসহীন নেতৃত্ব বাংলাদেশের মানুষ আজীবন স্মরণ করবে। তার মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

১৯ জানুয়ারি, সোমবার রাতে পৌর এলাকার ধানাটা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম।

তিনি আরও বলেন, জিয়া পরিবারকে উৎখাত করতে দেশে ও বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। এখন নানাবিধ ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। ময়নুউদ্দিন,  ফখরুদ্দিন সরকারসহ বিগত সরকারগুলো খালেদা জিয়াকে দেশ ত্যাগে চাপপ্রয়োগ করেছে। দেশের মানুষের জন্য চিন্তা করে তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। এজন্যে বেগম জিয়াকে গৃহবন্দি করা হয়েছিল। এছাড়াও তার দুই সন্তানকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেছে তারা। জিয়া পরিবার বাংলাদেশের মানুষের জন্য অদ্যাবদি সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।

ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সামিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম তার বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদান ও রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি  দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিন আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র এ কে এম ফয়জুল কবীর তালুকদার শাহীন, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম পিন্টু, উপজেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী লেকু, দপ্তর সম্পাদক খায়রুল আলম শ্যামল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বাবলু, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব মানিক মিয়া প্রমুখ।

পরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। দোয়া মাহফিলে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।