ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকলায় ১১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ‘মিড ডে মিল’

নকলা উপজেলা শিক্ষা অফিস

দরপত্র প্রক্রিয়ার জটিলতায় কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ‘মিড ডে মিল’। ১৭ নভেম্বর, রবিবার থেকে এই কার্যক্রম চালু হবে।

প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ১৬৫টি উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ খাবার সরবরাহ করা হবে। এতে ৩১ লাখ শিশু শিক্ষার্থী মিড ডে মিল পাবে।

এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুরের জেলার নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলাকে এই পাইলট প্রকল্প হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। নকলা উপজেলার ১১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা িই খাবার পাবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, স্কুল চলাকালীন শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচদিন পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বনরুটি, সিদ্ধ ডিম, ইউএইচটি দুধ, ফরটিফাইড বিস্কুট এবং মৌসুমি ফল বা কলা। যে মৌসুমে যে দেশীয় ফল পাওয়া যায়, তা মিড ডে মিলের সঙ্গে যুক্ত হবে। ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে এসব খাবার সরবরাহ করবে আকিজ গ্রুপ।

নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, মিড ডে মিল চালু হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার কমবে। মানসম্মত খাবার পেলে শিশু শিক্ষার্থীরা স্কুলে আরও বেশি মনোযোগী হবে। পুষ্টির যে চাহিদা তাও মিটবে বলে আশা করছি। তবে এসব খাবার বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীরাই পাবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নকলায় ১১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ‘মিড ডে মিল’

আপডেট সময় ১০:০৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

দরপত্র প্রক্রিয়ার জটিলতায় কয়েক দফা পেছানোর পর অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে ‘মিড ডে মিল’। ১৭ নভেম্বর, রবিবার থেকে এই কার্যক্রম চালু হবে।

প্রথম ধাপে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ১৬৫টি উপজেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ খাবার সরবরাহ করা হবে। এতে ৩১ লাখ শিশু শিক্ষার্থী মিড ডে মিল পাবে।

এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুরের জেলার নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলাকে এই পাইলট প্রকল্প হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। নকলা উপজেলার ১১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা িই খাবার পাবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, স্কুল চলাকালীন শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচদিন পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বনরুটি, সিদ্ধ ডিম, ইউএইচটি দুধ, ফরটিফাইড বিস্কুট এবং মৌসুমি ফল বা কলা। যে মৌসুমে যে দেশীয় ফল পাওয়া যায়, তা মিড ডে মিলের সঙ্গে যুক্ত হবে। ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে এসব খাবার সরবরাহ করবে আকিজ গ্রুপ।

নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম এ প্রতিবেদককে বলেন, মিড ডে মিল চালু হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার কমবে। মানসম্মত খাবার পেলে শিশু শিক্ষার্থীরা স্কুলে আরও বেশি মনোযোগী হবে। পুষ্টির যে চাহিদা তাও মিটবে বলে আশা করছি। তবে এসব খাবার বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীরাই পাবে।