ঢাকা ১০:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মাদারগঞ্জে ৬ শিক্ষকের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিত নেই একজনও

মাদারগঞ্জ : পশ্চিম মোসলেমাবাদ সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিদ্যালয়ের ভবন, শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই একজনও। ৬ আগস্ট বুধবার দুপুরে এমনটিই দেখা গেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম মোসলেমাবাদ সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ে। খাতা-কলমে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১০০ জন শিক্ষার্থী আছে জানালেও দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত কোন শ্রেণিকক্ষে একজন শিক্ষার্থীকেও পাওয়া যায়নি। অফিসকক্ষে তিনজন সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তারা গল্প করে সময় কাটাচ্ছিলেন। আর স্কুল মাঠ যেন পাটকাঠি শুকানো ও গোচারণভূমিতে পরিণত হয়েছে।

৬ আগস্ট, বুধবার দুপুর ২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ভবনের শ্রেণিকক্ষগুলো ফাঁকা। পতাকাটি অর্ধনমিত। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ছয়জন শিক্ষকের মধ্যে তিনজন সহকারী শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এ সময় একজন শিক্ষার্থীও উপস্থিত ছিল না।

বিদ্যালয়ের পতাকাটি অর্ধনমিত, শিক্ষার্থী ও প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে জানতে চাইলে উপস্থিত সহকারী শিক্ষকেরা জানান, প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেছেন। একজন শিক্ষক চিকিৎসা ছুটিতে আছেন। অন্যজন প্রশিক্ষণে আছেন। শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে গেছে। শিক্ষার্থীদের হাজিরা দেখতে চাইলে তারা প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া দেখাতে পারবেন না বলে জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছরীন বেগম পান্না এ প্রতিবেদককে বলেন, তিনি উপজেলায় ছিলেন। বিদ্যালয়ে কাগজ-কলমে ১০০ জন শিক্ষার্থী আছে। উপজেলায় যাওয়ার আগে বিদ্যালয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী রেখে এসেছিলেন। পতাকা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাতাসে হয়ত পতাকা সরে গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল আমিন এ প্রতিবেদককে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামালপুরে জামায়াতের গণমিছিল

মাদারগঞ্জে ৬ শিক্ষকের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিত নেই একজনও

আপডেট সময় ০২:৩৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

বিদ্যালয়ের ভবন, শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী নেই একজনও। ৬ আগস্ট বুধবার দুপুরে এমনটিই দেখা গেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম মোসলেমাবাদ সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ে। খাতা-কলমে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১০০ জন শিক্ষার্থী আছে জানালেও দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত কোন শ্রেণিকক্ষে একজন শিক্ষার্থীকেও পাওয়া যায়নি। অফিসকক্ষে তিনজন সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তারা গল্প করে সময় কাটাচ্ছিলেন। আর স্কুল মাঠ যেন পাটকাঠি শুকানো ও গোচারণভূমিতে পরিণত হয়েছে।

৬ আগস্ট, বুধবার দুপুর ২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয় ভবনের শ্রেণিকক্ষগুলো ফাঁকা। পতাকাটি অর্ধনমিত। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ছয়জন শিক্ষকের মধ্যে তিনজন সহকারী শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এ সময় একজন শিক্ষার্থীও উপস্থিত ছিল না।

বিদ্যালয়ের পতাকাটি অর্ধনমিত, শিক্ষার্থী ও প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে জানতে চাইলে উপস্থিত সহকারী শিক্ষকেরা জানান, প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসে গেছেন। একজন শিক্ষক চিকিৎসা ছুটিতে আছেন। অন্যজন প্রশিক্ষণে আছেন। শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে গেছে। শিক্ষার্থীদের হাজিরা দেখতে চাইলে তারা প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া দেখাতে পারবেন না বলে জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছরীন বেগম পান্না এ প্রতিবেদককে বলেন, তিনি উপজেলায় ছিলেন। বিদ্যালয়ে কাগজ-কলমে ১০০ জন শিক্ষার্থী আছে। উপজেলায় যাওয়ার আগে বিদ্যালয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী রেখে এসেছিলেন। পতাকা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাতাসে হয়ত পতাকা সরে গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল আমিন এ প্রতিবেদককে বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।