ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল! জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’

তীব্র গরমে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে গেল দেওয়ানগঞ্জের ৩ শিক্ষার্থী

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তীব্র গরমে তিন শিক্ষার্থীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে স্থানীয় উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ক্লিনিকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ মে দুপুরের দিকে উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের দীপশিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তারা হলো সপ্তম শ্রেণির সাথী আক্তার ও অষ্টম শ্রেণির শাহিদা আক্তার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর কবির এ প্রতিবেদককে বলেন, আজ গরম একটু বেশি পড়েছিল, বিদ্যুৎ না থাকায় ক্লাসেই দুই ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদেরকে ইউনিয়ন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়।

অপরদিকে আনন্দবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র দুপুর ১২টার দিকে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সাথে সাথে ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, সেই বিদ্যালয়ের রুমে কোন বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক সুপারভাইজার সজল চন্দ্র ভদ্র এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বিদ্যালয় প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছি।

এই ঘটনায় অভিভাবকরা ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন ।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল তাদেরকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা উচিত বলে অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে এই দুই স্কুলের শিক্ষার্থীদের অজ্ঞান হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরা বাড়ি ফিরে যায়।

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

তীব্র গরমে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে গেল দেওয়ানগঞ্জের ৩ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৫:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে তীব্র গরমে তিন শিক্ষার্থীর অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে স্থানীয় উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ক্লিনিকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ মে দুপুরের দিকে উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়নের দীপশিখা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তারা হলো সপ্তম শ্রেণির সাথী আক্তার ও অষ্টম শ্রেণির শাহিদা আক্তার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর কবির এ প্রতিবেদককে বলেন, আজ গরম একটু বেশি পড়েছিল, বিদ্যুৎ না থাকায় ক্লাসেই দুই ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে যায়। তাদেরকে ইউনিয়ন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠানো হয়।

অপরদিকে আনন্দবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র দুপুর ১২টার দিকে ক্লাসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সাথে সাথে ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

স্কুল সূত্রে জানা যায়, সেই বিদ্যালয়ের রুমে কোন বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক সুপারভাইজার সজল চন্দ্র ভদ্র এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বিদ্যালয় প্রধানদের নির্দেশনা দিয়েছি।

এই ঘটনায় অভিভাবকরা ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন ।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল তাদেরকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা উচিত বলে অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে এই দুই স্কুলের শিক্ষার্থীদের অজ্ঞান হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরা বাড়ি ফিরে যায়।