ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় প্রধান হলেন ফজলুল করিম

প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম

প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ সালের মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ে প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম। উপজেলা প্রশাসন থেকে ঘোষিত ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম এর আগেও একাধিকবার উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষকতা জীবনের দীর্ঘ ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ তার জীবন। ১৯৮৬ সালে দেলোয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু হয় তার। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকাকালে তিনি বিদ্যালয়কে জুনিয়র স্কুল থেকে হাই স্কুলে রূপান্তরিত করেন।

এরপর ১৯৯২ সালে বাহাদুরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়ে তিনি সেখানে মানবিক এবং ব্যবসা শিক্ষা, কম্পিউটার শিক্ষা, কৃষি শিক্ষা শাখা চালু করেন। সর্বশেষ ২০১৩ সালে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ দেওয়ানগঞ্জ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এই বিদ্যালয়ে যোগদান করে তিনি ব্যবসা শিক্ষা শাখা উন্মুক্ত করেন।

দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে প্রতিষ্ঠান থেকে কৃতি শিক্ষার্থীরা বের হয়ে কর্মস্থলে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। বিদ্যালয় এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিচার বিভাগ, শিক্ষা বিভাগসহ বিভিন্ন সেক্টরে নিয়োজিত রয়েছে। এই বিদ্যালয় থেকে অসংখ্য চিকিৎসক বের হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত রয়েছে। বিদ্যালয়টির বর্তমান ছাত্রী সংখ্যা ১ হাজার ৫০০ এর মত।

এক প্রতিক্রিয়ায় ফজলুল করিম জানান, সাফল্যের স্বীকৃতি পেলে কর্মের স্পৃহা বেড়ে যায, শিক্ষকতা করে সারাটি জীবন কাটিয়ে দিলাম, জীবনের পড়ন্ত বিকেলে এসে তৃপ্তি অনুভব করছি। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের যখন দেশের ভালো কোন কর্মক্ষেত্রে দেখি তখন বুকটা ভরে যায়।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় প্রধান হলেন ফজলুল করিম

আপডেট সময় ০৮:৪৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪
প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম

তারেক মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ সালের মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ে প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম। উপজেলা প্রশাসন থেকে ঘোষিত ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

প্রধান শিক্ষক ফজলুল করিম এর আগেও একাধিকবার উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষকতা জীবনের দীর্ঘ ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ তার জীবন। ১৯৮৬ সালে দেলোয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু হয় তার। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকাকালে তিনি বিদ্যালয়কে জুনিয়র স্কুল থেকে হাই স্কুলে রূপান্তরিত করেন।

এরপর ১৯৯২ সালে বাহাদুরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়ে তিনি সেখানে মানবিক এবং ব্যবসা শিক্ষা, কম্পিউটার শিক্ষা, কৃষি শিক্ষা শাখা চালু করেন। সর্বশেষ ২০১৩ সালে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ দেওয়ানগঞ্জ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এই বিদ্যালয়ে যোগদান করে তিনি ব্যবসা শিক্ষা শাখা উন্মুক্ত করেন।

দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে প্রতিষ্ঠান থেকে কৃতি শিক্ষার্থীরা বের হয়ে কর্মস্থলে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। বিদ্যালয় এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিচার বিভাগ, শিক্ষা বিভাগসহ বিভিন্ন সেক্টরে নিয়োজিত রয়েছে। এই বিদ্যালয় থেকে অসংখ্য চিকিৎসক বের হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত রয়েছে। বিদ্যালয়টির বর্তমান ছাত্রী সংখ্যা ১ হাজার ৫০০ এর মত।

এক প্রতিক্রিয়ায় ফজলুল করিম জানান, সাফল্যের স্বীকৃতি পেলে কর্মের স্পৃহা বেড়ে যায, শিক্ষকতা করে সারাটি জীবন কাটিয়ে দিলাম, জীবনের পড়ন্ত বিকেলে এসে তৃপ্তি অনুভব করছি। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের যখন দেশের ভালো কোন কর্মক্ষেত্রে দেখি তখন বুকটা ভরে যায়।