ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল! জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ

জামালপুরে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভা

জামালপুরে ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা ও সুপারিশকরণ, বেআইনী ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত সভাকরণসহ বিভিন্ন উদ্যেশ্য বাস্তবয়নের জন্য গঠিত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভা ১৫ নভেম্বর জামালপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়।

জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌসী, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, এসএসএস এর উপপরিচালক মো. ইয়াহিয়া, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মনির হোসাইন খান প্রমুখ।

সভায় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলটরি অথরটি (এমআরএ) এর নিবন্ধনভূক্ত অধিকাংশ এনজিও অংশ নেন।

জানা যায়, জামালপুর জেলায় ২৯টি এনজিও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০৯টি শাখার মাধ্যমে বর্তমান ঋণ বিতরণের আউটস্ট্যান্ডিং আছে এক হাজার ৩২ কোটি টাকা। উপকারভোগীদের সঞ্চয় জমা আছে ৬৩৭ কোটি টাকা। মোট সদস্য আছে ৩ লাখ ২০ হাজার।

জামালপুরে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভায় অংশগ্রহণকারীবৃন্দ।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সভা সূত্র জানায়, কোভিড ১৯ সংক্রমনের ধাক্কা এখন পর্যন্ত কাটিয়ে উঠতে পারেনি এনজিওগুলো। এছাড়া ওভারলেপিং এবং ক্ষুদ্রঋণের নামে বেআইনীভাবে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করা এনজিওদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় বলেন, আপনারা যারা ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তাদের আপটুডেট ডাটা পাওয়া গেলে বেআইনী ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বন্ধ করা সহজ হবে। সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আপনাদের কার্যক্রমে আমরা সবসময় সহায়তা করবো। তিনি খাতওয়ারী ও উপকারভোগীদের শ্রেণিভিত্তিক তালিকা দ্রুত সময়ের মধ্যে উপস্থাপনের জন্যে আহ্বান জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত

জামালপুরে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভা

আপডেট সময় ০৭:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২
জামালপুরে ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা ও সুপারিশকরণ, বেআইনী ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত সভাকরণসহ বিভিন্ন উদ্যেশ্য বাস্তবয়নের জন্য গঠিত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভা ১৫ নভেম্বর জামালপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায়।

জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌসী, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, এসএসএস এর উপপরিচালক মো. ইয়াহিয়া, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মনির হোসাইন খান প্রমুখ।

সভায় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলটরি অথরটি (এমআরএ) এর নিবন্ধনভূক্ত অধিকাংশ এনজিও অংশ নেন।

জানা যায়, জামালপুর জেলায় ২৯টি এনজিও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০৯টি শাখার মাধ্যমে বর্তমান ঋণ বিতরণের আউটস্ট্যান্ডিং আছে এক হাজার ৩২ কোটি টাকা। উপকারভোগীদের সঞ্চয় জমা আছে ৬৩৭ কোটি টাকা। মোট সদস্য আছে ৩ লাখ ২০ হাজার।

জামালপুরে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বিষয়ক জেলা সমন্বয় কমিটির সভায় অংশগ্রহণকারীবৃন্দ।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সভা সূত্র জানায়, কোভিড ১৯ সংক্রমনের ধাক্কা এখন পর্যন্ত কাটিয়ে উঠতে পারেনি এনজিওগুলো। এছাড়া ওভারলেপিং এবং ক্ষুদ্রঋণের নামে বেআইনীভাবে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করা এনজিওদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জেলা প্রশাসক শ্রাবস্তী রায় বলেন, আপনারা যারা ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তাদের আপটুডেট ডাটা পাওয়া গেলে বেআইনী ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বন্ধ করা সহজ হবে। সরকারের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে আপনাদের কার্যক্রমে আমরা সবসময় সহায়তা করবো। তিনি খাতওয়ারী ও উপকারভোগীদের শ্রেণিভিত্তিক তালিকা দ্রুত সময়ের মধ্যে উপস্থাপনের জন্যে আহ্বান জানান।