ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে সংলাপ, গঠিত হল মানবাধিকার সাংবাদিক নেটওয়ার্ক জামালপুরে শিক্ষার্থী অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষি বিভাগের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ইসলামপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পেল নতুন পোশাক একাত্তর টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত সহজপাঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সরিষাবাড়ীতে হয়ে গেল ঘুড়ি উৎসব মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে : সংস্কৃতি মন্ত্রী

মেলান্দহে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

মেলান্দহে হানাদার মুক্ত দিবসের আলোচনা সভা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মেলান্দহে হানাদার মুক্ত দিবসের আলোচনা সভা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মো. মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় নানা আয়োজনে ৮ডিসেম্বর মেলান্দহ হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে।

মির্জা আজম অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে হানাদার মুক্ত দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। সেই সঙ্গে অডিটোরিয়াম থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে মেলান্দহ বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার অডিটোরিয়ামে এসে শেষ হয়।

এ উপলক্ষে মেলান্দহ মির্জা আজম আধুনিক অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। মেলান্দহ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইব্রাহীম খলিলুল্লাহর সঞ্চালনায় উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সাদরুজ্জামান (বীর প্রতীক)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী কামরুজ্জামান।

আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুল ইসলাম, মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুশিয়া আক্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ, নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কিসমত পাশা প্রমুখ।

সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭১ সালে এই দিনে তৎকালীন মেলান্দহ থানার (ওসি) জোনাব আলী ও তার সহযোগী আব্দুল হক আকন্দ, নুরুর রহমান সরকার, গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল্লাহ, আব্দুল গেনা, করিম ভেদা, আব্দুল লতিফ, মোহাম্মদ আলী, শমসের আলী, শহিদুল্লাহ, হাশেমসহ মোট ৪৬ জন রাজাকার আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধে মেলান্দহ সদর, মাহমুদপুর পয়লাতে দুইটি সম্মুখ যুদ্ধক্ষেত্র ছিল। মাহমুদপুর যুদ্ধক্ষেত্রে করিমের সহযোদ্ধা ইউসুফ আলীর ব্রাশফায়ারে ১২ পাক সেনা নিহত হয়। ওই দিন বিকেলে আলম কোম্পানির টু আইসি কমান্ডার আব্দুল করিম মেলান্দহের উমির উদ্দিন পাইলট হাইস্কুল মাঠে প্রথম পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মেলান্দহকে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ

মেলান্দহে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

আপডেট সময় ০৮:১৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২১
মেলান্দহে হানাদার মুক্ত দিবসের আলোচনা সভা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মো. মুত্তাছিম বিল্লাহ, মেলান্দহ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় নানা আয়োজনে ৮ডিসেম্বর মেলান্দহ হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে।

মির্জা আজম অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলন ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে হানাদার মুক্ত দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। সেই সঙ্গে অডিটোরিয়াম থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে মেলান্দহ বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে আবার অডিটোরিয়ামে এসে শেষ হয়।

এ উপলক্ষে মেলান্দহ মির্জা আজম আধুনিক অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। মেলান্দহ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইব্রাহীম খলিলুল্লাহর সঞ্চালনায় উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সাদরুজ্জামান (বীর প্রতীক)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী কামরুজ্জামান।

আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুল ইসলাম, মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এম ময়নুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুশিয়া আক্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ, নাংলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কিসমত পাশা প্রমুখ।

সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইউনিয়ন পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭১ সালে এই দিনে তৎকালীন মেলান্দহ থানার (ওসি) জোনাব আলী ও তার সহযোগী আব্দুল হক আকন্দ, নুরুর রহমান সরকার, গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল্লাহ, আব্দুল গেনা, করিম ভেদা, আব্দুল লতিফ, মোহাম্মদ আলী, শমসের আলী, শহিদুল্লাহ, হাশেমসহ মোট ৪৬ জন রাজাকার আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধে মেলান্দহ সদর, মাহমুদপুর পয়লাতে দুইটি সম্মুখ যুদ্ধক্ষেত্র ছিল। মাহমুদপুর যুদ্ধক্ষেত্রে করিমের সহযোদ্ধা ইউসুফ আলীর ব্রাশফায়ারে ১২ পাক সেনা নিহত হয়। ওই দিন বিকেলে আলম কোম্পানির টু আইসি কমান্ডার আব্দুল করিম মেলান্দহের উমির উদ্দিন পাইলট হাইস্কুল মাঠে প্রথম পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মেলান্দহকে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন।