গান হলো ফুলের মতো। যারা ফুলকে ভালোবাসে না তারা যেকোনো নির্মম অপরাধও করতে পারে। ২১ জুন, রবিবার বিশ্ব সঙ্গীত দিবস ২০২৬ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘সঙ্গীত উৎসব’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী সঙ্গীতের চিরন্তন গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, পাখির কণ্ঠে কণ্ঠে, পাতা পড়ার শব্দে, জল তরঙ্গে কিংবা পর্বত থেকে নেমে আসা ঝর্ণার ধারায় প্রকৃতির মাঝ থেকেই সুর ও মূর্ছনার সৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গীত এক দেশ থেকে অন্য দেশে, মানুষ থেকে মানুষের মাঝে নিবিড় বন্ধন তৈরি করে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দর্শন, শিল্প, সাহিত্য ও ঐতিহ্যের মাঝে সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যে জাতি সঙ্গীতকে যত বেশি গুরুত্ব দেয়, সে জাতি তত বেশি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে। ভাষা ভিন্ন হলেও সুর ও রাগের মূর্ছনা পৃথিবীর সব মানুষ বুঝতে পারে। পরিশেষে তিনি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল সঙ্গীতপ্রেমী, কণ্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দীন আহমেদ, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর আহ্বায়ক হেলাল খান। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। উদ্বোধনী আলোচনা সভা শেষে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবের প্রথম দিনে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় যন্ত্রশিল্পী ও সঙ্গীতশিল্পীবৃন্দ একক ও দলীয় পরিবেশনায় অংশ নেন। উদ্বোধনের পর আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে বসে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপভোগ করেন। দুই দিনব্যাপী এই উৎসব ২২ জুন, সোমাবর শেষ হবে। সূত্র : পিআইডি
বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক 


















