ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে সংলাপ, গঠিত হল মানবাধিকার সাংবাদিক নেটওয়ার্ক জামালপুরে শিক্ষার্থী অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষি বিভাগের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ইসলামপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পেল নতুন পোশাক একাত্তর টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত সহজপাঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সরিষাবাড়ীতে হয়ে গেল ঘুড়ি উৎসব মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে : সংস্কৃতি মন্ত্রী

তুলশীরচরে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানালেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী

জামালপুরে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে জামালপুর সদরের তুলশীরচর ইউপির তিনটি কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম। ওই তিনটি কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। ১২ নভেম্বর বিকেলে জামালপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন বলেন, ১১ নভেম্বর ভোট গণনা শেষে তুলশীরচর ইউপির গজারিয়া, পশ্চিম টেবিরচর ও পূর্ব টেবির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল কেন্দ্রে প্রকাশ করেননি প্রিজাইডিং অফিসাররা। পরবর্তীতে ভোটের ফলাফল নিয়ে উপজেলা সদরে আসার পথে সুবিধাজনক স্থানে ওই তিনটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও তার কর্মী সমর্থকরা ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্সভর্তি করে ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করে উপজেলা নির্বাচনী কন্ট্রোল রুমে জমা দেন। পরিবর্তীতে সেই ভোটের হিসাবেই আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিম টেবির চর কেন্দ্রে দুই হাজার ৮৩৯ জন ভোটের মধ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট দেখানো হয়েছে দুই হাজার ৭৯৯টি। এই কেন্দ্রে তার আনারস প্রতীকে শূন্য ভোট দেখানো হয়েছে। গজারিয়া কেন্দ্রের দুই হাজার ৩২৭ ভোটের মধ্যে নৌকায় ভোট দেখানো হয়েছে দুই হাজার ২১৫টি। এই কেন্দ্রে আনারস প্রতীকে ভোট দেখানো হয়েছে মাত্র চারটি। এছাড়াও পূর্ব টেবিরচর কেন্দ্রে পরিবর্তিত ফলাফলের ব্যালট পেপারে দুই হাজার ১৬২ ভোটের মধ্যে নৌকায় দুই হাজার ৫৮টি এবং আনারসে দেখানো হয়েছে মাত্র ৮৩টি ভোট। এই কেন্দ্রে ভোট কাস্ট দেখানো হয়েছে শতকরা ৯৯.০২ ভাগ।

পূর্ব টেবিরচর কেন্দ্রে বেশ কয়েকজন মৃত ব্যক্তি ও বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের ভোটও দেখানো হয়েছে। এই কেন্দ্রের বাইরে মাঠে চেয়ারম্যান পদে নৌকায় সিলমারা ৪৪টি ব্যালট পেপারসহ একটি মুড়িবইও কুড়িয়ে পাওয়া গেছে। ওই তিনটি কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপি ও জালিয়াতির মাধ্যমে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী দেখানো হয়েছে অভিযোগ করে তিনি ওই তিনটি কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ

তুলশীরচরে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানালেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী

আপডেট সময় ০৭:২৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ নভেম্বর ২০২১
জামালপুরে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে জামালপুর সদরের তুলশীরচর ইউপির তিনটি কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম। ওই তিনটি কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। ১২ নভেম্বর বিকেলে জামালপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন বলেন, ১১ নভেম্বর ভোট গণনা শেষে তুলশীরচর ইউপির গজারিয়া, পশ্চিম টেবিরচর ও পূর্ব টেবির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল কেন্দ্রে প্রকাশ করেননি প্রিজাইডিং অফিসাররা। পরবর্তীতে ভোটের ফলাফল নিয়ে উপজেলা সদরে আসার পথে সুবিধাজনক স্থানে ওই তিনটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও তার কর্মী সমর্থকরা ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্সভর্তি করে ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করে উপজেলা নির্বাচনী কন্ট্রোল রুমে জমা দেন। পরিবর্তীতে সেই ভোটের হিসাবেই আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পশ্চিম টেবির চর কেন্দ্রে দুই হাজার ৮৩৯ জন ভোটের মধ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট দেখানো হয়েছে দুই হাজার ৭৯৯টি। এই কেন্দ্রে তার আনারস প্রতীকে শূন্য ভোট দেখানো হয়েছে। গজারিয়া কেন্দ্রের দুই হাজার ৩২৭ ভোটের মধ্যে নৌকায় ভোট দেখানো হয়েছে দুই হাজার ২১৫টি। এই কেন্দ্রে আনারস প্রতীকে ভোট দেখানো হয়েছে মাত্র চারটি। এছাড়াও পূর্ব টেবিরচর কেন্দ্রে পরিবর্তিত ফলাফলের ব্যালট পেপারে দুই হাজার ১৬২ ভোটের মধ্যে নৌকায় দুই হাজার ৫৮টি এবং আনারসে দেখানো হয়েছে মাত্র ৮৩টি ভোট। এই কেন্দ্রে ভোট কাস্ট দেখানো হয়েছে শতকরা ৯৯.০২ ভাগ।

পূর্ব টেবিরচর কেন্দ্রে বেশ কয়েকজন মৃত ব্যক্তি ও বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের ভোটও দেখানো হয়েছে। এই কেন্দ্রের বাইরে মাঠে চেয়ারম্যান পদে নৌকায় সিলমারা ৪৪টি ব্যালট পেপারসহ একটি মুড়িবইও কুড়িয়ে পাওয়া গেছে। ওই তিনটি কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপি ও জালিয়াতির মাধ্যমে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী দেখানো হয়েছে অভিযোগ করে তিনি ওই তিনটি কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।