ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাল পিতৃভূমি বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফ-এর শর্তের সম্পর্ক নেই : অর্থমন্ত্রী শেরপুরের চরাঞ্চলে ব্রিজ ও পাকা রাস্তা নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন বাবার ঋণের টাকা পরিশোধে ছেলের বাধা মেয়র পদে নির্বাচন করত আগ্রহী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়ার জনসংযোগ মাদারগঞ্জে জাল নিবন্ধন সনদে ফুয়েল কার্ড নিতে আসা দুই যুবককে জরিমানা জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত শোলাকুড়িতে বারতীর্থ স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে চেয়ারম্যান বাবুকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য বই কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করা হবে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য বই কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণকেও সংগ্রাম করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়েছে। দেশটির সাহিত্যও যথেষ্ট সমৃদ্ধ। সাহিত্য-সংস্কৃতি বিনিময় হতে পারে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধন দৃঢ় করার অন্যতম মাধ্যম। সেজন্য বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য বইগুলো কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।’

ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠিত বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির অনুবাদ বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও অকৃত্রিম বন্ধু। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে দেশ পুনর্গঠনে দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছিল। আগামী ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক সর্ম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউট, কোরিয়া’র সহযোগিতায় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘উজান’ প্রকাশিত দু’টি অনুবাদ গ্রন্থ ‘কোরিয়ার কবিতা’ ও ‘কোরিয়ার গল্প’ নিয়ে আয়োজিত উজান বই আলোচনা প্রতিযোগিতা ২০২১-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। চট্টগ্রামের কেইপিজেডে প্রায় ৭৫ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশী কর্মরত। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশী ছাত্র, শিক্ষক, গবেষক উচ্চশিক্ষা লাভে অধ্যয়নরত। সব মিলিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লী জং কুন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন ‘কোরিয়ার কবিতা’ গ্রন্থের অনুবাদক ছন্দা মাহবুব, ‘কোরিয়ার গল্প’ গ্রন্থের অনুবাদক ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ, প্রতিযোগিতার বিচারক কবি সোহেল হাসান গালিব ও অনুবাদক শিউলি ফাতেহা।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বই আলোচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ী তিনজন ও নির্বাচিত দশজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাল পিতৃভূমি বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য বই কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করা হবে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ নভেম্বর ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য বই কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণকেও সংগ্রাম করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়েছে। দেশটির সাহিত্যও যথেষ্ট সমৃদ্ধ। সাহিত্য-সংস্কৃতি বিনিময় হতে পারে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধন দৃঢ় করার অন্যতম মাধ্যম। সেজন্য বাংলা ভাষার উল্লেখযোগ্য বইগুলো কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।’

ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠিত বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমির অনুবাদ বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের পরীক্ষিত ও অকৃত্রিম বন্ধু। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে দেশ পুনর্গঠনে দক্ষিণ কোরিয়া সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছিল। আগামী ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক সর্ম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘লিটারেচার ট্রান্সলেশন ইনস্টিটিউট, কোরিয়া’র সহযোগিতায় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘উজান’ প্রকাশিত দু’টি অনুবাদ গ্রন্থ ‘কোরিয়ার কবিতা’ ও ‘কোরিয়ার গল্প’ নিয়ে আয়োজিত উজান বই আলোচনা প্রতিযোগিতা ২০২১-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। চট্টগ্রামের কেইপিজেডে প্রায় ৭৫ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশী কর্মরত। তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় হাজার বাংলাদেশী ছাত্র, শিক্ষক, গবেষক উচ্চশিক্ষা লাভে অধ্যয়নরত। সব মিলিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লী জং কুন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন ‘কোরিয়ার কবিতা’ গ্রন্থের অনুবাদক ছন্দা মাহবুব, ‘কোরিয়ার গল্প’ গ্রন্থের অনুবাদক ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদ, প্রতিযোগিতার বিচারক কবি সোহেল হাসান গালিব ও অনুবাদক শিউলি ফাতেহা।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বই আলোচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ী তিনজন ও নির্বাচিত দশজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।