ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বেনজির, হাদী হত্যা মামলার সন্দেহভাজনদের প্রত্যর্পণে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারতের দ্রুত সাড়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন না হলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : জামালপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই শহিদ দিবস : মাদারগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খামারে মাটি ভরাটে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতুর মুখ বন্ধ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা

শোলাকুড়িতে বারতীর্থ স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত

জামালপুর : শোলাকুড়িতে পুকুরে স্নান করেন পুণ্যার্থীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শত বছরের অধিক সময় ধরে জামালপুর সদর উপজেলার শোলাকুড়িতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বারতীর্থ স্নান ও মেলা শুরু হয়েছে।

১৭ এপ্রিল, শুক্রবার সকালে প্রতি বছর বৈশাখ মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই পুণ্যস্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতি বছর জামালপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের পুণ্যার্থীরা এ নির্দিষ্ট সময়ে মনোবাসনা পূর্ণ করার মানসে পুণ্য স্নানে অংশ নেয়। তারা চিনি কলাসহ বিভিন্ন দ্রবাদি জলে দানপূর্বক স্বীয় দেবতাকে তুষ্ট করার জন্য একাগ্রচিত্তে স্নান করে গ্লানি মুছে ফেলার প্রতিজ্ঞা করেন।

কথিত আছে, নাটোরের জমিদার রাজা জগদীন্দ্র নাথ রায় বাহাদুরের মাতা অসুস্থ অবস্থায় বারটি তীর্থ স্থানের গঙ্গা জলে স্নান করার ইচ্ছা পোষণ করেন। তার বিশ্বাস ওই গঙ্গা জলে স্নান করলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। মাতার ইচ্ছা পূরণ করতে জমিদার ১২টি তীর্থ স্থান থেকে গঙ্গা জল সংগ্রহ করে শোলাকুড়িতে বিশালকার পুকুর খননপূর্বক সেই পুকুরে মাকে স্নান করায়। এতে তার মা আরোগ্য লাভ করেন।

স্নান উৎসবে পুণ্যার্থীরা রায় প্রতি বছর এ পুণ্য স্নানে অংশ নেয় তাদের মনোবাসনা পূর্ণ করার লক্ষ্যে। প্রতি বছর এ স্নানোৎসবে অর্ধলক্ষাধিক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে।

শোলাকুড়ি এলাকার স্কুল শিক্ষক রেফাজ উদ্দিন ইমন বলেন, এ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় থাকে গ্রামীণ হস্তশিল্প, কুটির শিল্পসহ নানা সামগ্রীর সমাহার। এছাড়াও মেলায় প্রসাধনী, খাবার, খেলনা, মিঠাই-মিষ্টান্ন, মাছ ও ফার্নিচারসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান। আছে চটপটি-ফুচকা থেকে মুখরোচক নানা পদের খাবার।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের বিনোদনের জন্য আছে নাগরদোলা, চরকি, দোলনাসহ নানা আয়োজন। সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সাইজের ছোট-বড় মিষ্টি। গ্রামীণ মেলার পাশাপাশি এ বছর সার্কাসের আয়োজন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

শোলাকুড়িতে বারতীর্থ স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

শত বছরের অধিক সময় ধরে জামালপুর সদর উপজেলার শোলাকুড়িতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বারতীর্থ স্নান ও মেলা শুরু হয়েছে।

১৭ এপ্রিল, শুক্রবার সকালে প্রতি বছর বৈশাখ মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই পুণ্যস্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতি বছর জামালপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের পুণ্যার্থীরা এ নির্দিষ্ট সময়ে মনোবাসনা পূর্ণ করার মানসে পুণ্য স্নানে অংশ নেয়। তারা চিনি কলাসহ বিভিন্ন দ্রবাদি জলে দানপূর্বক স্বীয় দেবতাকে তুষ্ট করার জন্য একাগ্রচিত্তে স্নান করে গ্লানি মুছে ফেলার প্রতিজ্ঞা করেন।

কথিত আছে, নাটোরের জমিদার রাজা জগদীন্দ্র নাথ রায় বাহাদুরের মাতা অসুস্থ অবস্থায় বারটি তীর্থ স্থানের গঙ্গা জলে স্নান করার ইচ্ছা পোষণ করেন। তার বিশ্বাস ওই গঙ্গা জলে স্নান করলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। মাতার ইচ্ছা পূরণ করতে জমিদার ১২টি তীর্থ স্থান থেকে গঙ্গা জল সংগ্রহ করে শোলাকুড়িতে বিশালকার পুকুর খননপূর্বক সেই পুকুরে মাকে স্নান করায়। এতে তার মা আরোগ্য লাভ করেন।

স্নান উৎসবে পুণ্যার্থীরা রায় প্রতি বছর এ পুণ্য স্নানে অংশ নেয় তাদের মনোবাসনা পূর্ণ করার লক্ষ্যে। প্রতি বছর এ স্নানোৎসবে অর্ধলক্ষাধিক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে।

শোলাকুড়ি এলাকার স্কুল শিক্ষক রেফাজ উদ্দিন ইমন বলেন, এ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় থাকে গ্রামীণ হস্তশিল্প, কুটির শিল্পসহ নানা সামগ্রীর সমাহার। এছাড়াও মেলায় প্রসাধনী, খাবার, খেলনা, মিঠাই-মিষ্টান্ন, মাছ ও ফার্নিচারসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান। আছে চটপটি-ফুচকা থেকে মুখরোচক নানা পদের খাবার।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের বিনোদনের জন্য আছে নাগরদোলা, চরকি, দোলনাসহ নানা আয়োজন। সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সাইজের ছোট-বড় মিষ্টি। গ্রামীণ মেলার পাশাপাশি এ বছর সার্কাসের আয়োজন করা হয়।