ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

শোলাকুড়িতে বারতীর্থ স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত

জামালপুর : শোলাকুড়িতে পুকুরে স্নান করেন পুণ্যার্থীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শত বছরের অধিক সময় ধরে জামালপুর সদর উপজেলার শোলাকুড়িতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বারতীর্থ স্নান ও মেলা শুরু হয়েছে।

১৭ এপ্রিল, শুক্রবার সকালে প্রতি বছর বৈশাখ মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই পুণ্যস্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতি বছর জামালপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের পুণ্যার্থীরা এ নির্দিষ্ট সময়ে মনোবাসনা পূর্ণ করার মানসে পুণ্য স্নানে অংশ নেয়। তারা চিনি কলাসহ বিভিন্ন দ্রবাদি জলে দানপূর্বক স্বীয় দেবতাকে তুষ্ট করার জন্য একাগ্রচিত্তে স্নান করে গ্লানি মুছে ফেলার প্রতিজ্ঞা করেন।

কথিত আছে, নাটোরের জমিদার রাজা জগদীন্দ্র নাথ রায় বাহাদুরের মাতা অসুস্থ অবস্থায় বারটি তীর্থ স্থানের গঙ্গা জলে স্নান করার ইচ্ছা পোষণ করেন। তার বিশ্বাস ওই গঙ্গা জলে স্নান করলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। মাতার ইচ্ছা পূরণ করতে জমিদার ১২টি তীর্থ স্থান থেকে গঙ্গা জল সংগ্রহ করে শোলাকুড়িতে বিশালকার পুকুর খননপূর্বক সেই পুকুরে মাকে স্নান করায়। এতে তার মা আরোগ্য লাভ করেন।

স্নান উৎসবে পুণ্যার্থীরা রায় প্রতি বছর এ পুণ্য স্নানে অংশ নেয় তাদের মনোবাসনা পূর্ণ করার লক্ষ্যে। প্রতি বছর এ স্নানোৎসবে অর্ধলক্ষাধিক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে।

শোলাকুড়ি এলাকার স্কুল শিক্ষক রেফাজ উদ্দিন ইমন বলেন, এ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় থাকে গ্রামীণ হস্তশিল্প, কুটির শিল্পসহ নানা সামগ্রীর সমাহার। এছাড়াও মেলায় প্রসাধনী, খাবার, খেলনা, মিঠাই-মিষ্টান্ন, মাছ ও ফার্নিচারসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান। আছে চটপটি-ফুচকা থেকে মুখরোচক নানা পদের খাবার।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের বিনোদনের জন্য আছে নাগরদোলা, চরকি, দোলনাসহ নানা আয়োজন। সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সাইজের ছোট-বড় মিষ্টি। গ্রামীণ মেলার পাশাপাশি এ বছর সার্কাসের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

শোলাকুড়িতে বারতীর্থ স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

শত বছরের অধিক সময় ধরে জামালপুর সদর উপজেলার শোলাকুড়িতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বারতীর্থ স্নান ও মেলা শুরু হয়েছে।

১৭ এপ্রিল, শুক্রবার সকালে প্রতি বছর বৈশাখ মাসের অমাবস্যা তিথিতে এই পুণ্যস্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতি বছর জামালপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের পুণ্যার্থীরা এ নির্দিষ্ট সময়ে মনোবাসনা পূর্ণ করার মানসে পুণ্য স্নানে অংশ নেয়। তারা চিনি কলাসহ বিভিন্ন দ্রবাদি জলে দানপূর্বক স্বীয় দেবতাকে তুষ্ট করার জন্য একাগ্রচিত্তে স্নান করে গ্লানি মুছে ফেলার প্রতিজ্ঞা করেন।

কথিত আছে, নাটোরের জমিদার রাজা জগদীন্দ্র নাথ রায় বাহাদুরের মাতা অসুস্থ অবস্থায় বারটি তীর্থ স্থানের গঙ্গা জলে স্নান করার ইচ্ছা পোষণ করেন। তার বিশ্বাস ওই গঙ্গা জলে স্নান করলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। মাতার ইচ্ছা পূরণ করতে জমিদার ১২টি তীর্থ স্থান থেকে গঙ্গা জল সংগ্রহ করে শোলাকুড়িতে বিশালকার পুকুর খননপূর্বক সেই পুকুরে মাকে স্নান করায়। এতে তার মা আরোগ্য লাভ করেন।

স্নান উৎসবে পুণ্যার্থীরা রায় প্রতি বছর এ পুণ্য স্নানে অংশ নেয় তাদের মনোবাসনা পূর্ণ করার লক্ষ্যে। প্রতি বছর এ স্নানোৎসবে অর্ধলক্ষাধিক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে।

শোলাকুড়ি এলাকার স্কুল শিক্ষক রেফাজ উদ্দিন ইমন বলেন, এ উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর গ্রামীণ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় থাকে গ্রামীণ হস্তশিল্প, কুটির শিল্পসহ নানা সামগ্রীর সমাহার। এছাড়াও মেলায় প্রসাধনী, খাবার, খেলনা, মিঠাই-মিষ্টান্ন, মাছ ও ফার্নিচারসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান। আছে চটপটি-ফুচকা থেকে মুখরোচক নানা পদের খাবার।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের বিনোদনের জন্য আছে নাগরদোলা, চরকি, দোলনাসহ নানা আয়োজন। সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সাইজের ছোট-বড় মিষ্টি। গ্রামীণ মেলার পাশাপাশি এ বছর সার্কাসের আয়োজন করা হয়।