ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে শেরপুর জেলা হাসপাতাল। রোগীরা সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালে পুরুষ-মহিলা সার্জিক্যাল ও মেডিসিন বিভাগসহ সব ওয়ার্ডের ইনডোর-আউটডোরে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি থাকতো, সেখানে বর্তমানে ভর্তি আছেন ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী। আবার যারা ভর্তি রয়েছেন এদের মধ্যে কেউ কেউ হাসপাতাল ছাড়ছেন। ফলে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে এই হাসপাতালটিতে। এমন চিত্র দেখা গেছে জেলার অন্য চারটি স্বাস্থ্য কমপেক্সেও।

করোনার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে কাজ করছে স্বাস্থ্যকর্মীরা, হয়ত এ কারণে রোগীর সংখ্যা কমে গেছে এমনটা জানিয়ে সিভিল সার্জন চিকিৎসক এ কে এম আনোয়ারুর রউফ বলেন, খুব জরুরি না হলে রোগীদের হাসপাতালে আসতে নিরুৎসাহীত করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল

আপডেট সময় ০৫:৫৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০
করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে শেরপুর জেলা হাসপাতাল। রোগীরা সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালে পুরুষ-মহিলা সার্জিক্যাল ও মেডিসিন বিভাগসহ সব ওয়ার্ডের ইনডোর-আউটডোরে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি থাকতো, সেখানে বর্তমানে ভর্তি আছেন ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী। আবার যারা ভর্তি রয়েছেন এদের মধ্যে কেউ কেউ হাসপাতাল ছাড়ছেন। ফলে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে এই হাসপাতালটিতে। এমন চিত্র দেখা গেছে জেলার অন্য চারটি স্বাস্থ্য কমপেক্সেও।

করোনার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে কাজ করছে স্বাস্থ্যকর্মীরা, হয়ত এ কারণে রোগীর সংখ্যা কমে গেছে এমনটা জানিয়ে সিভিল সার্জন চিকিৎসক এ কে এম আনোয়ারুর রউফ বলেন, খুব জরুরি না হলে রোগীদের হাসপাতালে আসতে নিরুৎসাহীত করা হচ্ছে।