ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে শেরপুর জেলা হাসপাতাল। রোগীরা সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালে পুরুষ-মহিলা সার্জিক্যাল ও মেডিসিন বিভাগসহ সব ওয়ার্ডের ইনডোর-আউটডোরে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি থাকতো, সেখানে বর্তমানে ভর্তি আছেন ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী। আবার যারা ভর্তি রয়েছেন এদের মধ্যে কেউ কেউ হাসপাতাল ছাড়ছেন। ফলে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে এই হাসপাতালটিতে। এমন চিত্র দেখা গেছে জেলার অন্য চারটি স্বাস্থ্য কমপেক্সেও।

করোনার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে কাজ করছে স্বাস্থ্যকর্মীরা, হয়ত এ কারণে রোগীর সংখ্যা কমে গেছে এমনটা জানিয়ে সিভিল সার্জন চিকিৎসক এ কে এম আনোয়ারুর রউফ বলেন, খুব জরুরি না হলে রোগীদের হাসপাতালে আসতে নিরুৎসাহীত করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল

আপডেট সময় ০৫:৫৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০
করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য শেরপুর জেলা হাসপাতাল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

করোনা আতঙ্কে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে শেরপুর জেলা হাসপাতাল। রোগীরা সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালে পুরুষ-মহিলা সার্জিক্যাল ও মেডিসিন বিভাগসহ সব ওয়ার্ডের ইনডোর-আউটডোরে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ রোগী ভর্তি থাকতো, সেখানে বর্তমানে ভর্তি আছেন ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী। আবার যারা ভর্তি রয়েছেন এদের মধ্যে কেউ কেউ হাসপাতাল ছাড়ছেন। ফলে রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে এই হাসপাতালটিতে। এমন চিত্র দেখা গেছে জেলার অন্য চারটি স্বাস্থ্য কমপেক্সেও।

করোনার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে কাজ করছে স্বাস্থ্যকর্মীরা, হয়ত এ কারণে রোগীর সংখ্যা কমে গেছে এমনটা জানিয়ে সিভিল সার্জন চিকিৎসক এ কে এম আনোয়ারুর রউফ বলেন, খুব জরুরি না হলে রোগীদের হাসপাতালে আসতে নিরুৎসাহীত করা হচ্ছে।