ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকের মামলা নিষ্পত্তিতে সময় বেধে দিয়েছে হাইকোর্ট

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : বিচারিক আদালতে অভিযোগ আমলে নেয়া মাদকের মামলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মাদক সংক্রান্ত এক মামলার আসামির জামিন শুনানিতে ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর মাদারীপুরে রাজৈরের জনৈক মিজানুর রহমান বাড়ৈকে ৬০০ ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। সেই দিন থেকে তিনি কারাগারে আছেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত কোনো সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে তিনি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। এ আবেদনে শুনানিকালে বিচারিক আদালতে অভিযোগ আমলে নেয়া মাদকের মামলা ছয় মাসের মধ্যে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

তিনি বলেন, ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার (এসপি), ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে তাদের জবাবদিহীতার আওতায় আনতে বলা হয়েছে। আদালতের এ আদেশ সংশ্লিষ্ট আদালত, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রতি জারি করতে রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যে মাদক মামলাকে কেন্দ্র করে আদালত এ আদেশ দিয়েছে। ওই মামলার আসামি মিজানুরকেও জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।
সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকের মামলা নিষ্পত্তিতে সময় বেধে দিয়েছে হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৮:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : বিচারিক আদালতে অভিযোগ আমলে নেয়া মাদকের মামলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মাদক সংক্রান্ত এক মামলার আসামির জামিন শুনানিতে ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর মাদারীপুরে রাজৈরের জনৈক মিজানুর রহমান বাড়ৈকে ৬০০ ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। সেই দিন থেকে তিনি কারাগারে আছেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত কোনো সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে তিনি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। এ আবেদনে শুনানিকালে বিচারিক আদালতে অভিযোগ আমলে নেয়া মাদকের মামলা ছয় মাসের মধ্যে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

তিনি বলেন, ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার (এসপি), ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে তাদের জবাবদিহীতার আওতায় আনতে বলা হয়েছে। আদালতের এ আদেশ সংশ্লিষ্ট আদালত, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রতি জারি করতে রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যে মাদক মামলাকে কেন্দ্র করে আদালত এ আদেশ দিয়েছে। ওই মামলার আসামি মিজানুরকেও জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।
সূত্র : বাসস