ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-এসআরবি আইন, ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন শেরপুরে ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে ৩০০ দরিদ্র পরিবার পেল দানের মাঝে আনন্দ : মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য পক্ষ : জামালপুরে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : সরিষাবাড়ীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন দ্বিতীয় রাউন্ড উপলক্ষে জেলা অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ জানুয়ারি সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশ এখন সমৃদ্ধির পথে। মানুষের গড় আয় বেড়েছে অনেক। যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এদেশের মানুষ সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে নিয়ে দেশ আজ সেই স্বপ্নের পথে অনেক দূর এগিয়েছে। তিনি সুস্থ সবল আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলবার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিটি কর্মীকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান।

সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বাছির উদ্দিন, জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামালপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল হেলিম ফকির প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, আগামী ১৯ জানুয়ারি থেকে সারা দেশের ন্যায় জামালপুরে শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলার ১ হাজার ৬৯২টি কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৪ হাজার ২০৩ জন শিশু এবং একই বয়সী প্রতিবন্ধী ১৫৭ জন শিশুকে নীল ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩১৩ জন শিশু এবং একই বয়সী ৬২৩ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। যাতে কোনো শিশু এই ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সেদিকে সকলকে নজর রাখার আহবান জানানো হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

জামালপুরে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

আপডেট সময় ০৯:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৯
অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন দ্বিতীয় রাউন্ড উপলক্ষে জেলা অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ জানুয়ারি সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশ এখন সমৃদ্ধির পথে। মানুষের গড় আয় বেড়েছে অনেক। যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এদেশের মানুষ সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে নিয়ে দেশ আজ সেই স্বপ্নের পথে অনেক দূর এগিয়েছে। তিনি সুস্থ সবল আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলবার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিটি কর্মীকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান।

সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বাছির উদ্দিন, জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন জামালপুর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল হেলিম ফকির প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, আগামী ১৯ জানুয়ারি থেকে সারা দেশের ন্যায় জামালপুরে শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জেলার ১ হাজার ৬৯২টি কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৪ হাজার ২০৩ জন শিশু এবং একই বয়সী প্রতিবন্ধী ১৫৭ জন শিশুকে নীল ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩১৩ জন শিশু এবং একই বয়সী ৬২৩ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। যাতে কোনো শিশু এই ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সেদিকে সকলকে নজর রাখার আহবান জানানো হয়।