ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না, প্রতিটি শিশুই শিখবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী র‌্যাবের অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ৪০ লাখ টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় যেন ১১৯ বছরের আলোকবর্তিকা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন

দেশের কম্পিউটার প্রকৌশলীদের এআই বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে : সেমিনারে বক্তারা

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
দেশের কম্পিউটার প্রকৌশলীদের আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) বিষয়ে কাজ করার বড় একটা সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের আয়োজনে ‘আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স এন্ড মেশিন লার্নিং’ বিষয়ক এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ বক্তারা এই মতামত ব্যক্ত করেছেন।

১৫ জুলাই সকালে সিএসই বিভাগের অপারেটিং সিস্টেম ল্যাবে ওই সেমিনারের উদ্বোধন করেন চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম।

সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব। সেমিনার বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ রোবটিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুল ইমরান।

সেমিনারের অংশ হিসেবে ‘এন্ড্রয়েড কন্ট্রোল রোবট’ শীর্ষক একটি কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিএসই বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতাকে এগিয়ে নিতে এআই একটা বড় শিল্পে রুপান্তরিত হচ্ছে। বহির্বিশ্বের বড় বড় শিল্প-কারখানাগুলোতে ক্রমশ এআই-এর ব্যবহার জনপ্রিয় হচ্ছে। রোবট কিংবা মেশিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্থাপন করে দ্রুত সময়ে নির্ভুলভাবে অনেক জটিল কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। যে কারণে দিনদিন এর চাহিদা বাড়ছে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন বলেন, আমাদের দেশে শিল্প-কারখানা, কর্পোরেট অফিস এবং বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনো এআই সেক্টর তেমন প্রসার লাভ করেনি। এক্ষেত্রে কম্পিউটার প্রকৌশলীদের কাজ করার বড় একটা সুযোগ তৈরি হচ্ছে। চুয়েটের শিক্ষার্থীরাও এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।

সেমিনার ও কর্মশালা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু

দেশের কম্পিউটার প্রকৌশলীদের এআই বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে : সেমিনারে বক্তারা

আপডেট সময় ০৯:০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুলাই ২০১৮

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
দেশের কম্পিউটার প্রকৌশলীদের আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (এআই) বিষয়ে কাজ করার বড় একটা সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের আয়োজনে ‘আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স এন্ড মেশিন লার্নিং’ বিষয়ক এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞ বক্তারা এই মতামত ব্যক্ত করেছেন।

১৫ জুলাই সকালে সিএসই বিভাগের অপারেটিং সিস্টেম ল্যাবে ওই সেমিনারের উদ্বোধন করেন চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম।

সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব। সেমিনার বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ রোবটিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ হাফিজুল ইমরান।

সেমিনারের অংশ হিসেবে ‘এন্ড্রয়েড কন্ট্রোল রোবট’ শীর্ষক একটি কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিএসই বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতাকে এগিয়ে নিতে এআই একটা বড় শিল্পে রুপান্তরিত হচ্ছে। বহির্বিশ্বের বড় বড় শিল্প-কারখানাগুলোতে ক্রমশ এআই-এর ব্যবহার জনপ্রিয় হচ্ছে। রোবট কিংবা মেশিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা স্থাপন করে দ্রুত সময়ে নির্ভুলভাবে অনেক জটিল কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। যে কারণে দিনদিন এর চাহিদা বাড়ছে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সামসুল আরেফিন বলেন, আমাদের দেশে শিল্প-কারখানা, কর্পোরেট অফিস এবং বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনো এআই সেক্টর তেমন প্রসার লাভ করেনি। এক্ষেত্রে কম্পিউটার প্রকৌশলীদের কাজ করার বড় একটা সুযোগ তৈরি হচ্ছে। চুয়েটের শিক্ষার্থীরাও এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।

সেমিনার ও কর্মশালা শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।বাসস।