ঢাকা ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

মাদারগঞ্জ : ১৯৩৮ সালে স্থাপিত ফুলজোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম।

উপজেলার ২০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১২৮টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক। এর মধ্যে ২৭টি বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে এবং ১০১টিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকের ৭৫টি পদও শূন্য রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের উপর বাড়ছে অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ।

দীর্ঘদিন ধরে এসব পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত পাঠদানেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। শুধু বিদ্যালয় নয়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেও জনবল সংকট প্রকট। অনুমোদিত ১২টি পদের মধ্যে ছয়টিই শূন্য। এতে বিদ্যালয় পরিদর্শন, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষা কার্যক্রম তদারকিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। দ্রুত শূন্য পদ পূরণ করে শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসের জনবল সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, মাদারগঞ্জের সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬৪ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে কোয়ালিকান্দি, ঝাড়কাটা, চরনগর, পূর্ব চরপাকেরদহ, চাঁদপুর সন্ধ্যাজান, বালিজুড়ী আরএ, চর নাংলা, পশ্চিম জটিয়ারপাড়া, চরপাড়া ইসলামিয়া ও জোড়খালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১২৮টিতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকের ৭৫টি পদও শূন্য। প্রধান শিক্ষক না থাকায় জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের কাউকে চলতি দায়িত্ব, আবার কাউকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে তাদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজও করতে হচ্ছে।

আরও জানা গেছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ১২টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ছয়জন। তাদের মধ্যে একজন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, তিনজন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং একজন উচ্চমান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক রয়েছেন।অপরদিকে তিনজন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, একজন হিসাব সহকারী, একজন অফিস সহকারী ও একজন অফিস সহায়কের পদ শূন্য রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, প্রধান শিক্ষকের পরিবর্তে সাধারণ শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত করে বিদ্যালয় পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে নেতৃত্বে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের মানতে নারাজ। আবার ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীরাও অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। সব মিলিয়ে বিদ্যালয়গুলো সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রয়োজন।

অভিভাবক তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, উপজেলার অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাও ঠিকভাবে বজায় থাকছে না। অনেক শিক্ষক সময়মতো বিদ্যালয়ে আসছেন না। এতে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার আগ্রহও কমে যাচ্ছে। ফলে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাচ্ছেন। অভিভাবক এনামুল হক ও নাজিরুল ইসলামও একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

মাদারগঞ্জ : পশ্চিম নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

চরগুজামানিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা সমস্যা হচ্ছে। সহকারী শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরাও প্রয়োজনীয় পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি এবং সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন প্রয়োজন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, পাঁচ মাস হল এই উপজেলায় যোগদান করেছি। অবসর, বদলি, মৃত্যু ও মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষকের পদগুলো শূন্য হয়েছে। শূন্য পদের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা অফিসেও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদসহ ছয়টি পদ শূন্য রয়েছে। এতে দাপ্তরিক কাজ ও বিদ্যালয় পরিদর্শনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জনবল সংকটের মধ্যেও শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ চলছে। দ্রুত অফিসে জনবল এবং বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক দেওয়া হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

আপডেট সময় ১০:২৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম।

উপজেলার ২০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১২৮টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক। এর মধ্যে ২৭টি বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে এবং ১০১টিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রশাসনিক কার্যক্রম। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকের ৭৫টি পদও শূন্য রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের উপর বাড়ছে অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ।

দীর্ঘদিন ধরে এসব পদ শূন্য থাকায় বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত পাঠদানেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। শুধু বিদ্যালয় নয়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেও জনবল সংকট প্রকট। অনুমোদিত ১২টি পদের মধ্যে ছয়টিই শূন্য। এতে বিদ্যালয় পরিদর্শন, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষা কার্যক্রম তদারকিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। দ্রুত শূন্য পদ পূরণ করে শিক্ষক ও শিক্ষা অফিসের জনবল সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকেরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, মাদারগঞ্জের সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ২০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬৪ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে কোয়ালিকান্দি, ঝাড়কাটা, চরনগর, পূর্ব চরপাকেরদহ, চাঁদপুর সন্ধ্যাজান, বালিজুড়ী আরএ, চর নাংলা, পশ্চিম জটিয়ারপাড়া, চরপাড়া ইসলামিয়া ও জোড়খালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১২৮টিতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষকের ৭৫টি পদও শূন্য। প্রধান শিক্ষক না থাকায় জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের কাউকে চলতি দায়িত্ব, আবার কাউকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে তাদের নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজও করতে হচ্ছে।

আরও জানা গেছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ১২টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ছয়জন। তাদের মধ্যে একজন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, তিনজন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং একজন উচ্চমান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক রয়েছেন।অপরদিকে তিনজন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, একজন হিসাব সহকারী, একজন অফিস সহকারী ও একজন অফিস সহায়কের পদ শূন্য রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, প্রধান শিক্ষকের পরিবর্তে সাধারণ শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত করে বিদ্যালয় পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে নেতৃত্বে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অনেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের মানতে নারাজ। আবার ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীরাও অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন। সব মিলিয়ে বিদ্যালয়গুলো সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রয়োজন।

অভিভাবক তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, উপজেলার অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাও ঠিকভাবে বজায় থাকছে না। অনেক শিক্ষক সময়মতো বিদ্যালয়ে আসছেন না। এতে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার আগ্রহও কমে যাচ্ছে। ফলে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাচ্ছেন। অভিভাবক এনামুল হক ও নাজিরুল ইসলামও একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

মাদারগঞ্জ : পশ্চিম নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

চরগুজামানিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা সমস্যা হচ্ছে। সহকারী শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরাও প্রয়োজনীয় পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি এবং সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন প্রয়োজন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, পাঁচ মাস হল এই উপজেলায় যোগদান করেছি। অবসর, বদলি, মৃত্যু ও মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষকের পদগুলো শূন্য হয়েছে। শূন্য পদের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা অফিসেও সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদসহ ছয়টি পদ শূন্য রয়েছে। এতে দাপ্তরিক কাজ ও বিদ্যালয় পরিদর্শনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জনবল সংকটের মধ্যেও শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ চলছে। দ্রুত অফিসে জনবল এবং বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক দেওয়া হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।