শেরপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারকরণ ও আইনের কঠোর প্রয়োগ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ আগস্ট, বৃহস্পতিবার বিকালে শেরপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ভবনের হলরুমে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের আয়োজনে এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চেম্বার সভাপতি মো. আরিফ হোসেন।
এ সময় পরিবেশ রক্ষা ও পলিথিন শপিং ব্যাগ ব্যবহার বন্ধে স্বাগত বক্তব্য দেন শেরপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপিনেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন্ এর নির্বাহী পরিচালক মো. মুগনিউর রহমান মনি, গ্রীন ভয়েস এর সভাপতি রফিক মজিদ, চেম্বার পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, হাসানুর রেজা জিয়া, মো শওকত হোসেন প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন পরিদর্শক সুশীল কুমার দাস।
সভায় পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, আমদানি, মজুদ, বিপণন, বিক্রয়, সরবরাহ, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিবহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।
শেরপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম আইন লংঘনকারীর শাস্তির বিষয়ে বলেন, পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন, আমদানি বাজারজাতকরণ করলে আইন লংঘনকারীর প্রথম অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদন্ড অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা বা উভয় দন্ড হতে পারে। পরবর্তী প্রতিটি অপরাধের ক্ষেত্রে দুই বছর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ড হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া পলিথিন শপিং ব্যাগ বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুদ, বিতরণ, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিবহণ বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করলে অনধিক এক বছর কারাদন্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে।
সভায় চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির কর্মকর্তা, সদস্য এবং শহরের বিভিন্ন স্তরের পলিথিন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।
মুগনিউর রহমান মনি : নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম 


















