ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ মেলান্দহে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ইটভাটার চিমনি ধ্বংস বকশীগঞ্জে অ্যাপসে সার বিতরণের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জ : সিলিং ফ্যানে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি, গ্রেপ্তার ৫ মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘উপমহাদেশের রাজনীতি : স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মেলান্দহে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে সুমন কারাগারে

মেলান্দহ : স্ত্রী নির্যাতন মামলার আসামি সুমন ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী সুমন ইসলামকে (২৩) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দুপুরে মেলান্দহ আমলি আদালতের বিচারক রোমানা আক্তার তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী আশরাফুল হোসাইন। সুমন ইসলাম মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুরের ইমামপুর এলাকার জিয়াউল সরদারের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের দিকে মাহমুদপুর স্বামী আগপয়লা ঠেংগেপাড়া এলাকার সোজা মিয়ার মেয়ে খাদিজাতুল কোবরার সঙ্গে একই ইউনিয়নের ইমামপুর এলাকার জিয়াউল সরদারের ছেলে সুমন ইসলামের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়।

বিয়ের পর সুমন ইসলাম একটি মোটরসাইকেল যৌতুক দাবি করেন। স্ত্রী খাদিজাতুল কোবরা মোটরসাইকেল কেনার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে অমানসিক নির্যাতন করেন সুমন ইসলাম। পরে মেয়ের বাবা সোজা মিয়া মেয়ের সংসারের শান্তির জন্য মোটরসাইকেল ক্রয় বাবদ সুমন মিয়ার পরিবারকে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা দেন।

চলতি বছরের ১৪ মার্চ সুমন ইসলাম আবারও দুই লাখ টাকা দাবি করলে সোজা মিয়ার মেয়ে খাদিজাতুল কোবরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী সুমন ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন গৃহবধূ খাদিজাতুল কোবরাকে শারিরিকভাবে নির্যাতন করেন।

এতে ওই গৃহবধূ অসুস্থ্ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সুমন ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন গৃহবধূর পরিবারকে না জানিয়ে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করে বাড়িতে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ঘটনার তিনদিন পর গৃহবধূর বাবা সোজা মিয়া ঘটনা জানার পর মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় গৃহবধূ খাদিজাতুল কোবরার বাবা সোজা মিয়া বাদী হয়ে মেয়ের জামাই সুমন ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন- মাহমুদপুর ইউনিয়নের ইমামপুর এলাকার জিয়াউল সরদারের ছেলে সুমন ইসলাম (২৩), ছালাম সরদারের ছেলে জিয়াউল সরদার (৪৬) ও জিয়াউল সরদারের স্ত্রী বানেছা বেগম (৪২)।

বাদী পক্ষের আইনজীবী আশরাফুল হোসাইন এ প্রতিবেদককে বলেন, আসামি সুমন ইসলাম খাদিজাতুল কোবরাকে ব্যাপক নির্যাতন করেছেন৷ আদালত ২৩ এপ্রিল তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

মেলান্দহে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে সুমন কারাগারে

আপডেট সময় ১০:২৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী সুমন ইসলামকে (২৩) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দুপুরে মেলান্দহ আমলি আদালতের বিচারক রোমানা আক্তার তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী আশরাফুল হোসাইন। সুমন ইসলাম মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুরের ইমামপুর এলাকার জিয়াউল সরদারের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের দিকে মাহমুদপুর স্বামী আগপয়লা ঠেংগেপাড়া এলাকার সোজা মিয়ার মেয়ে খাদিজাতুল কোবরার সঙ্গে একই ইউনিয়নের ইমামপুর এলাকার জিয়াউল সরদারের ছেলে সুমন ইসলামের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়।

বিয়ের পর সুমন ইসলাম একটি মোটরসাইকেল যৌতুক দাবি করেন। স্ত্রী খাদিজাতুল কোবরা মোটরসাইকেল কেনার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে অমানসিক নির্যাতন করেন সুমন ইসলাম। পরে মেয়ের বাবা সোজা মিয়া মেয়ের সংসারের শান্তির জন্য মোটরসাইকেল ক্রয় বাবদ সুমন মিয়ার পরিবারকে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা দেন।

চলতি বছরের ১৪ মার্চ সুমন ইসলাম আবারও দুই লাখ টাকা দাবি করলে সোজা মিয়ার মেয়ে খাদিজাতুল কোবরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামী সুমন ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন গৃহবধূ খাদিজাতুল কোবরাকে শারিরিকভাবে নির্যাতন করেন।

এতে ওই গৃহবধূ অসুস্থ্ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সুমন ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজন গৃহবধূর পরিবারকে না জানিয়ে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করে বাড়িতে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ঘটনার তিনদিন পর গৃহবধূর বাবা সোজা মিয়া ঘটনা জানার পর মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় গৃহবধূ খাদিজাতুল কোবরার বাবা সোজা মিয়া বাদী হয়ে মেয়ের জামাই সুমন ইসলামসহ তিনজনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন- মাহমুদপুর ইউনিয়নের ইমামপুর এলাকার জিয়াউল সরদারের ছেলে সুমন ইসলাম (২৩), ছালাম সরদারের ছেলে জিয়াউল সরদার (৪৬) ও জিয়াউল সরদারের স্ত্রী বানেছা বেগম (৪২)।

বাদী পক্ষের আইনজীবী আশরাফুল হোসাইন এ প্রতিবেদককে বলেন, আসামি সুমন ইসলাম খাদিজাতুল কোবরাকে ব্যাপক নির্যাতন করেছেন৷ আদালত ২৩ এপ্রিল তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।