ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত বিএনপির সাবেক মহাসচিব সালাম তালুকদার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মাদারগঞ্জে জ্বালানি সংকট নিরসনে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু

মাদারগঞ্জ : ইউএনও সুমন চৌধুরী কৃষকদের মাঝে ফুয়েল কার্ড বিতরণ করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহ্স্পতিবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃষিকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষি ফুয়েল কার্ড এবং মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের জন্য পৃথক ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলায় দুই হাজার মোটরসাইকেল চালক ও দুই হাজার কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে।

মাদারগঞ্জ : ফুয়েল কার্ড দেওয়ার আগে মোটরবাইক চালকদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করেন উএনও সুমন চৌধুরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ফুয়েল কার্ড পেতে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। কৃষকদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিলেই কার্ড পাওয়া যাবে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফুয়েল কার্ডধারী যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত উপজেলার দুটি পাম্পে একযোগে তেল বিক্রি চলবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে গুজবের কারণে কৃষকদের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ কার্ড চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকেরা নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরবে। কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মাদারগঞ্জে জ্বালানি সংকট নিরসনে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহ্স্পতিবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃষিকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষি ফুয়েল কার্ড এবং মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের জন্য পৃথক ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলায় দুই হাজার মোটরসাইকেল চালক ও দুই হাজার কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে।

মাদারগঞ্জ : ফুয়েল কার্ড দেওয়ার আগে মোটরবাইক চালকদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করেন উএনও সুমন চৌধুরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ফুয়েল কার্ড পেতে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। কৃষকদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিলেই কার্ড পাওয়া যাবে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফুয়েল কার্ডধারী যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত উপজেলার দুটি পাম্পে একযোগে তেল বিক্রি চলবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে গুজবের কারণে কৃষকদের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ কার্ড চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকেরা নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরবে। কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।