ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেপ্তার

মাদারগঞ্জে জ্বালানি সংকট নিরসনে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু

মাদারগঞ্জ : ইউএনও সুমন চৌধুরী কৃষকদের মাঝে ফুয়েল কার্ড বিতরণ করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহ্স্পতিবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃষিকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষি ফুয়েল কার্ড এবং মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের জন্য পৃথক ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলায় দুই হাজার মোটরসাইকেল চালক ও দুই হাজার কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে।

মাদারগঞ্জ : ফুয়েল কার্ড দেওয়ার আগে মোটরবাইক চালকদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করেন উএনও সুমন চৌধুরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ফুয়েল কার্ড পেতে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। কৃষকদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিলেই কার্ড পাওয়া যাবে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফুয়েল কার্ডধারী যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত উপজেলার দুটি পাম্পে একযোগে তেল বিক্রি চলবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে গুজবের কারণে কৃষকদের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ কার্ড চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকেরা নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরবে। কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

মাদারগঞ্জে জ্বালানি সংকট নিরসনে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৯ এপ্রিল, বৃহ্স্পতিবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, কৃষিকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষি ফুয়েল কার্ড এবং মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকদের জন্য পৃথক ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলায় দুই হাজার মোটরসাইকেল চালক ও দুই হাজার কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে।

মাদারগঞ্জ : ফুয়েল কার্ড দেওয়ার আগে মোটরবাইক চালকদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করেন উএনও সুমন চৌধুরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ফুয়েল কার্ড পেতে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হচ্ছে। কৃষকদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিলেই কার্ড পাওয়া যাবে।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফুয়েল কার্ডধারী যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত উপজেলার দুটি পাম্পে একযোগে তেল বিক্রি চলবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে গুজবের কারণে কৃষকদের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ কার্ড চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকেরা নির্ধারিত মূল্যে প্রয়োজনীয় ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন।

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরবে। কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।