ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দলের নাম ভাঙিয়ে নৈরাজ্যকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই নেই : শামীম তালুকদার জামালপুরে জাতীয় যুবশক্তির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে দুই শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে থানায় মামলা ইসলামপুর হবে আগামী প্রজন্মের সেরা বাসস্থান : সুলতান মাহমুদ বাবু যুব সমাজকে ক্রীড়ামুখী করতে কাজ করছে বিএনপি সরকার : শামীম তালুকদার দেশকে স্বনির্ভর করা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদ জানালেন মেহেদী নতুন ভোট কেন্দ্র চায় ইসলামপুরের টেংরাকুড়াবাসী মাদারগঞ্জে ভাঙারি ব্যবসায়ী ফকির আলীর মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে ৭২ বস্তা সার মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের যুবারা

টানা দ্বিতীয়বারের মত অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে এশিয়া কাপের শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ। ৮ ডিসেম্বর রবিবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশ ৫৯ রানে হারিয়েছে আটবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে।

গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মত যুব এশিয়া কাপ জিতেছিলো বাংলাদেশ।

এছাড়া ২০১৯ সালে শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ফাইনালে ভারতের কাছে ৫ রানে হেরেছিলো বাংলাদেশ। পাঁচ বছর পর ফাইনালের মঞ্চে তারই প্রতিশোধ নিলো আজিজুল হাকিমের দল।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬ ওভারে ১৭ রান তুলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকি। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফিরেন কালাম।

এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন আবরার ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম। উইকেটে সেট হয় ছোট ইনিংস খেলেই বিদায় নেন তারা। আবরার ২০ ও ইনফর্ম হাকিম ১৬ রানে আউট হন।

৬৬ রানে ৩ উইকেট পতনের পর হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে বাংলাদেশের রান তিন অংকে নেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস ও রিজান হোসেন। দলীয় ১২৮ রানে জেমসের আউটে ভাঙ্গে জুটি। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৭ বলে ৪০ রান করেন জেমস।

জেমসের আউটে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় স্কোরের আশা শেষ হয়ে যায় তাদের। ৩টি চারে ৬৫ বলে রিজানের ৪৭ এবং উইকেটরক্ষক ফরিদ হাসানের ৩টি চারে ৩৯ রানে কল্যাণে ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। যুধাজিত গুহ, চেতন শর্মা ও হার্ডিক রাজ ২টি করে উইকেট নেন।

জয়ের জন্য ভারতকে ১৯৯ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ওপেনার আয়ুশ মাত্রেকে ১ রানে বোল্ড করেন বাংলাদেশ পেসার আল ফাহাদ।

আরেক ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীকে ৯ রানে আউট করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা। ২৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় ভারত।

জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের পেসার ইকবাল হোসেন ইমনের দারুন বোলিং নৈপুন্যে ধসে পড়ে ভারতের মিডল অর্ডার। ২৩তম ওভার ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে ভারত। এসময় ৩ উইকেট নেন ইমন।

লোয়ার-অর্ডারে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হার্দিক ও চেতন। কিন্তু দু’জনকে শিকার করে ভারতকে ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শিরোপা নিশ্চিত করেন হাকিম। ভারতের পক্ষে অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান সর্বোচ্চ ২৬ ও হার্দিক ২৪ রান করেন।

হাকিম ৮ রানে এবং ইমন ২৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। এছাড়া ফাহাদ ২টি, মারুফ ও রিজান ১টি করে উইকেট নেন।

দুর্দান্ত বোলিং নৈপুন্যে ফাইনালের ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইমন। টুর্নামেন্টে ১৩ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন ইমনই।

যুব এশিয়া কাপে নয়বার ফাইনাল খেলে এবারই প্রথম শিরোপা জিততে পারলো না ভারত।

জনপ্রিয় সংবাদ

দলের নাম ভাঙিয়ে নৈরাজ্যকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই নেই : শামীম তালুকদার

ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের যুবারা

আপডেট সময় ০৪:১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

টানা দ্বিতীয়বারের মত অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে এশিয়া কাপের শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ। ৮ ডিসেম্বর রবিবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশ ৫৯ রানে হারিয়েছে আটবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে।

গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মত যুব এশিয়া কাপ জিতেছিলো বাংলাদেশ।

এছাড়া ২০১৯ সালে শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ফাইনালে ভারতের কাছে ৫ রানে হেরেছিলো বাংলাদেশ। পাঁচ বছর পর ফাইনালের মঞ্চে তারই প্রতিশোধ নিলো আজিজুল হাকিমের দল।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬ ওভারে ১৭ রান তুলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকি। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফিরেন কালাম।

এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন আবরার ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম। উইকেটে সেট হয় ছোট ইনিংস খেলেই বিদায় নেন তারা। আবরার ২০ ও ইনফর্ম হাকিম ১৬ রানে আউট হন।

৬৬ রানে ৩ উইকেট পতনের পর হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে বাংলাদেশের রান তিন অংকে নেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস ও রিজান হোসেন। দলীয় ১২৮ রানে জেমসের আউটে ভাঙ্গে জুটি। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৭ বলে ৪০ রান করেন জেমস।

জেমসের আউটে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় স্কোরের আশা শেষ হয়ে যায় তাদের। ৩টি চারে ৬৫ বলে রিজানের ৪৭ এবং উইকেটরক্ষক ফরিদ হাসানের ৩টি চারে ৩৯ রানে কল্যাণে ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। যুধাজিত গুহ, চেতন শর্মা ও হার্ডিক রাজ ২টি করে উইকেট নেন।

জয়ের জন্য ভারতকে ১৯৯ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ওপেনার আয়ুশ মাত্রেকে ১ রানে বোল্ড করেন বাংলাদেশ পেসার আল ফাহাদ।

আরেক ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীকে ৯ রানে আউট করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা। ২৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় ভারত।

জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের পেসার ইকবাল হোসেন ইমনের দারুন বোলিং নৈপুন্যে ধসে পড়ে ভারতের মিডল অর্ডার। ২৩তম ওভার ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে ভারত। এসময় ৩ উইকেট নেন ইমন।

লোয়ার-অর্ডারে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হার্দিক ও চেতন। কিন্তু দু’জনকে শিকার করে ভারতকে ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শিরোপা নিশ্চিত করেন হাকিম। ভারতের পক্ষে অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান সর্বোচ্চ ২৬ ও হার্দিক ২৪ রান করেন।

হাকিম ৮ রানে এবং ইমন ২৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। এছাড়া ফাহাদ ২টি, মারুফ ও রিজান ১টি করে উইকেট নেন।

দুর্দান্ত বোলিং নৈপুন্যে ফাইনালের ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইমন। টুর্নামেন্টে ১৩ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন ইমনই।

যুব এশিয়া কাপে নয়বার ফাইনাল খেলে এবারই প্রথম শিরোপা জিততে পারলো না ভারত।