ঢাকা ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের যুবারা

টানা দ্বিতীয়বারের মত অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে এশিয়া কাপের শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ। ৮ ডিসেম্বর রবিবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশ ৫৯ রানে হারিয়েছে আটবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে।

গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মত যুব এশিয়া কাপ জিতেছিলো বাংলাদেশ।

এছাড়া ২০১৯ সালে শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ফাইনালে ভারতের কাছে ৫ রানে হেরেছিলো বাংলাদেশ। পাঁচ বছর পর ফাইনালের মঞ্চে তারই প্রতিশোধ নিলো আজিজুল হাকিমের দল।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬ ওভারে ১৭ রান তুলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকি। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফিরেন কালাম।

এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন আবরার ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম। উইকেটে সেট হয় ছোট ইনিংস খেলেই বিদায় নেন তারা। আবরার ২০ ও ইনফর্ম হাকিম ১৬ রানে আউট হন।

৬৬ রানে ৩ উইকেট পতনের পর হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে বাংলাদেশের রান তিন অংকে নেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস ও রিজান হোসেন। দলীয় ১২৮ রানে জেমসের আউটে ভাঙ্গে জুটি। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৭ বলে ৪০ রান করেন জেমস।

জেমসের আউটে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় স্কোরের আশা শেষ হয়ে যায় তাদের। ৩টি চারে ৬৫ বলে রিজানের ৪৭ এবং উইকেটরক্ষক ফরিদ হাসানের ৩টি চারে ৩৯ রানে কল্যাণে ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। যুধাজিত গুহ, চেতন শর্মা ও হার্ডিক রাজ ২টি করে উইকেট নেন।

জয়ের জন্য ভারতকে ১৯৯ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ওপেনার আয়ুশ মাত্রেকে ১ রানে বোল্ড করেন বাংলাদেশ পেসার আল ফাহাদ।

আরেক ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীকে ৯ রানে আউট করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা। ২৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় ভারত।

জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের পেসার ইকবাল হোসেন ইমনের দারুন বোলিং নৈপুন্যে ধসে পড়ে ভারতের মিডল অর্ডার। ২৩তম ওভার ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে ভারত। এসময় ৩ উইকেট নেন ইমন।

লোয়ার-অর্ডারে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হার্দিক ও চেতন। কিন্তু দু’জনকে শিকার করে ভারতকে ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শিরোপা নিশ্চিত করেন হাকিম। ভারতের পক্ষে অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান সর্বোচ্চ ২৬ ও হার্দিক ২৪ রান করেন।

হাকিম ৮ রানে এবং ইমন ২৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। এছাড়া ফাহাদ ২টি, মারুফ ও রিজান ১টি করে উইকেট নেন।

দুর্দান্ত বোলিং নৈপুন্যে ফাইনালের ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইমন। টুর্নামেন্টে ১৩ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন ইমনই।

যুব এশিয়া কাপে নয়বার ফাইনাল খেলে এবারই প্রথম শিরোপা জিততে পারলো না ভারত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের যুবারা

আপডেট সময় ০৪:১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৪

টানা দ্বিতীয়বারের মত অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে এশিয়া কাপের শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ। ৮ ডিসেম্বর রবিবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে বাংলাদেশ ৫৯ রানে হারিয়েছে আটবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে।

গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৯৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মত যুব এশিয়া কাপ জিতেছিলো বাংলাদেশ।

এছাড়া ২০১৯ সালে শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে ফাইনালে ভারতের কাছে ৫ রানে হেরেছিলো বাংলাদেশ। পাঁচ বছর পর ফাইনালের মঞ্চে তারই প্রতিশোধ নিলো আজিজুল হাকিমের দল।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬ ওভারে ১৭ রান তুলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকি। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফিরেন কালাম।

এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন আবরার ও অধিনায়ক আজিজুল হাকিম। উইকেটে সেট হয় ছোট ইনিংস খেলেই বিদায় নেন তারা। আবরার ২০ ও ইনফর্ম হাকিম ১৬ রানে আউট হন।

৬৬ রানে ৩ উইকেট পতনের পর হাফ-সেঞ্চুরির জুটিতে বাংলাদেশের রান তিন অংকে নেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস ও রিজান হোসেন। দলীয় ১২৮ রানে জেমসের আউটে ভাঙ্গে জুটি। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৭ বলে ৪০ রান করেন জেমস।

জেমসের আউটে বিপদ বাড়ে বাংলাদেশের। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় স্কোরের আশা শেষ হয়ে যায় তাদের। ৩টি চারে ৬৫ বলে রিজানের ৪৭ এবং উইকেটরক্ষক ফরিদ হাসানের ৩টি চারে ৩৯ রানে কল্যাণে ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। যুধাজিত গুহ, চেতন শর্মা ও হার্ডিক রাজ ২টি করে উইকেট নেন।

জয়ের জন্য ভারতকে ১৯৯ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ওপেনার আয়ুশ মাত্রেকে ১ রানে বোল্ড করেন বাংলাদেশ পেসার আল ফাহাদ।

আরেক ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীকে ৯ রানে আউট করেন আরেক পেসার মারুফ মৃধা। ২৪ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারায় ভারত।

জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের পেসার ইকবাল হোসেন ইমনের দারুন বোলিং নৈপুন্যে ধসে পড়ে ভারতের মিডল অর্ডার। ২৩তম ওভার ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে ভারত। এসময় ৩ উইকেট নেন ইমন।

লোয়ার-অর্ডারে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন হার্দিক ও চেতন। কিন্তু দু’জনকে শিকার করে ভারতকে ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শিরোপা নিশ্চিত করেন হাকিম। ভারতের পক্ষে অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান সর্বোচ্চ ২৬ ও হার্দিক ২৪ রান করেন।

হাকিম ৮ রানে এবং ইমন ২৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। এছাড়া ফাহাদ ২টি, মারুফ ও রিজান ১টি করে উইকেট নেন।

দুর্দান্ত বোলিং নৈপুন্যে ফাইনালের ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইমন। টুর্নামেন্টে ১৩ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন ইমনই।

যুব এশিয়া কাপে নয়বার ফাইনাল খেলে এবারই প্রথম শিরোপা জিততে পারলো না ভারত।