ঢাকা ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

নকলায় বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন চিকিৎসাসেবা

বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেন ডা. কাওসার আজাদ শুভ্র। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলায় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন ডা. কাওসার আজাদ শুভ্র। ১৬ নভেম্বর শনিবার নকলা হাসপাতাল মোড়ে নিজ বাসার নিচ তলায় নিজস্ব চেম্বারে দিনব্যাপী অসহায় দরিদ্র ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন রোগীদের বিনামূল্যে এ সেবা দেওয়া হয়।

শেরপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. কাওসার আজাদ শুভ্র বলেন, ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে হাসপাতালে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করায় এবং ১৫ নভেম্বর শুক্রবার জুমার দিন বিবেচনায় দুদিন পিছিয়ে ১৬ নভেম্বর শনিবার দিনব্যাপী এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হল।

জানা যায়, এদিন ডায়াবেটিস রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও অগণিত হাইপারটেনশন রোগীকে বিনামূল্যে ব্লাড প্রেসার মাপা হয়। এছাড়া বিশেষ ছাড়ে রোগীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো ও ইসিজির সেবা প্রদান করা হয় এবং ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা, বারবার পিপাসা লাগা, উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ঘুরানো, অতিরিক্ত শরীর ঘামা, ঘাড় খিঁচুনি ও স্ট্রোক নিয়ন্ত্রণে তথা প্রতিকার-প্রতিরোধে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় পরামর্শ সেবা প্রদান করা হয়।

ডা. কাওসার আজাদ শুভ্র বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই নিজ উপজেলার বাইরে আছি। লেখাপড়া শেষ করার পরে প্রথমে নালিতাবাড়ীতে ও পরে শেরপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালে কর্মরত আছি। ফলে নিজ উপজেলার অসহায় দরিদ্র মানুষদের জন্য কাজ করার সুযোগ কম পেয়েছি। তাই সুযোগ পেলেই নকলার জনগণকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছি। এতেকরে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে হাসির দেখা মিলে। এতে একদিকে অসহায় দরিদ্র মানুষদের মুখে হাসি দেখলে ভালো লাগে, অন্যদিকে নিজ উপজেলার মানুষ জনের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ হয়। এ কারণেই সুযোগ পেলেই এলাকার তরুণদের সার্বিক অংশ গ্রহনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা করি।

জেলার কোন ব্যক্তি বা সংগঠন অথবা কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করলে তিনি সেখানে স্বেচ্ছাসেবা দিতে সদা প্রস্তুত বলে জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া

নকলায় বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন চিকিৎসাসেবা

আপডেট সময় ০৪:১৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

শেরপুরের নকলায় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন ডা. কাওসার আজাদ শুভ্র। ১৬ নভেম্বর শনিবার নকলা হাসপাতাল মোড়ে নিজ বাসার নিচ তলায় নিজস্ব চেম্বারে দিনব্যাপী অসহায় দরিদ্র ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন রোগীদের বিনামূল্যে এ সেবা দেওয়া হয়।

শেরপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. কাওসার আজাদ শুভ্র বলেন, ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে হাসপাতালে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করায় এবং ১৫ নভেম্বর শুক্রবার জুমার দিন বিবেচনায় দুদিন পিছিয়ে ১৬ নভেম্বর শনিবার দিনব্যাপী এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হল।

জানা যায়, এদিন ডায়াবেটিস রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও অগণিত হাইপারটেনশন রোগীকে বিনামূল্যে ব্লাড প্রেসার মাপা হয়। এছাড়া বিশেষ ছাড়ে রোগীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো ও ইসিজির সেবা প্রদান করা হয় এবং ঘন ঘন প্রস্রাব, অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা, বারবার পিপাসা লাগা, উচ্চ রক্তচাপ, মাথা ঘুরানো, অতিরিক্ত শরীর ঘামা, ঘাড় খিঁচুনি ও স্ট্রোক নিয়ন্ত্রণে তথা প্রতিকার-প্রতিরোধে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় পরামর্শ সেবা প্রদান করা হয়।

ডা. কাওসার আজাদ শুভ্র বলেন, আমি ছাত্রজীবন থেকেই নিজ উপজেলার বাইরে আছি। লেখাপড়া শেষ করার পরে প্রথমে নালিতাবাড়ীতে ও পরে শেরপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালে কর্মরত আছি। ফলে নিজ উপজেলার অসহায় দরিদ্র মানুষদের জন্য কাজ করার সুযোগ কম পেয়েছি। তাই সুযোগ পেলেই নকলার জনগণকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছি। এতেকরে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের মুখে হাসির দেখা মিলে। এতে একদিকে অসহায় দরিদ্র মানুষদের মুখে হাসি দেখলে ভালো লাগে, অন্যদিকে নিজ উপজেলার মানুষ জনের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ হয়। এ কারণেই সুযোগ পেলেই এলাকার তরুণদের সার্বিক অংশ গ্রহনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা করি।

জেলার কোন ব্যক্তি বা সংগঠন অথবা কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করলে তিনি সেখানে স্বেচ্ছাসেবা দিতে সদা প্রস্তুত বলে জানান।