ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

নকলায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের অভিযোগ

গনপদ্দী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল

গনপদ্দী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল

শফিউল আলম লাভলু
নকলা প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুলের বিরুদ্ধে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সোহেল মিয়া নামের এক গ্রাম পুলিশ। গত ২৮ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাবর অভিযোগ পত্র জমা দেন সোহেল মিয়া।

সোহেল মিয়ার লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে গনপদ্দী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন সোহেল মিয়া। সে ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মরত আছেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়াকে সব সময় অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দিতেন। এসব নির্দেশ পালনে অনিহা প্রকাশ করতেন সোহেল মিয়া। সোহেলের পারিবারিক বিষয়াদী নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে উভয় পক্ষের মামলা মোকাদ্দমা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আবুল সুযোগ সন্ধানী হিসেবে সেই মোকাদ্দমাকে কেন্দ্র করে সোহেলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। গত ৩০ মার্চ থেকে সব গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব বন্টন হয় সপ্তাহে একদিন। কিন্তু গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়ার বেলায় সপ্তাহে প্রতিদিন (সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত)। এমন একটি চিঠিও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেলকে দেন।

গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া বলেন, আমার প্রতিবেশি নূর আলমের সাথে (উভয় পক্ষের) মামলা মোকাদ্দমা রয়েছে। সেটা তদন্তাধীন ও বিচারাধীন। ইউপি চেয়ারম্যান মূলত নূর আলমকে দিয়ে মামলা করিয়ে আমাকে আসামি করেছেন। চেয়ারম্যানের কথা হলো আমার চাকরি খেয়ে নিবে। তাহলে পদ শূন্য হবে। নতুন করে আরেকজনকে নিতে পারবে। কারণ নতুন লোক নিতে পারলেই লাভ। এছাড়াও চেয়ারম্যান আমাকে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের হুকুম দিতেন।

অভিযোগের বিষয়ে গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল বলেন, সোহেল মিয়া একজন মামলাবাজ। সে পরিষদের কোন নিয়াম কানুন তোয়াক্কা করে না এবং কারও কোন কথাও শুনে না। তিনি এক বছর যাবৎ পরিষদে আসে না। সে ক্যাসিনো জুয়ার সাথে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে তা সমস্ত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তার উদ্দেশ্য হলো আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা। সে আমার প্রতি রাগে ও ক্ষোভে বিভিন্ন জায়গাতে অভিযোগ দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুর রহামান আবুল ও ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া একটি করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

নকলায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:২৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪
গনপদ্দী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল

শফিউল আলম লাভলু
নকলা প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুলের বিরুদ্ধে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সোহেল মিয়া নামের এক গ্রাম পুলিশ। গত ২৮ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাবর অভিযোগ পত্র জমা দেন সোহেল মিয়া।

সোহেল মিয়ার লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে গনপদ্দী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন সোহেল মিয়া। সে ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মরত আছেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়াকে সব সময় অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দিতেন। এসব নির্দেশ পালনে অনিহা প্রকাশ করতেন সোহেল মিয়া। সোহেলের পারিবারিক বিষয়াদী নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে উভয় পক্ষের মামলা মোকাদ্দমা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আবুল সুযোগ সন্ধানী হিসেবে সেই মোকাদ্দমাকে কেন্দ্র করে সোহেলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। গত ৩০ মার্চ থেকে সব গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব বন্টন হয় সপ্তাহে একদিন। কিন্তু গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়ার বেলায় সপ্তাহে প্রতিদিন (সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত)। এমন একটি চিঠিও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেলকে দেন।

গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া বলেন, আমার প্রতিবেশি নূর আলমের সাথে (উভয় পক্ষের) মামলা মোকাদ্দমা রয়েছে। সেটা তদন্তাধীন ও বিচারাধীন। ইউপি চেয়ারম্যান মূলত নূর আলমকে দিয়ে মামলা করিয়ে আমাকে আসামি করেছেন। চেয়ারম্যানের কথা হলো আমার চাকরি খেয়ে নিবে। তাহলে পদ শূন্য হবে। নতুন করে আরেকজনকে নিতে পারবে। কারণ নতুন লোক নিতে পারলেই লাভ। এছাড়াও চেয়ারম্যান আমাকে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের হুকুম দিতেন।

অভিযোগের বিষয়ে গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল বলেন, সোহেল মিয়া একজন মামলাবাজ। সে পরিষদের কোন নিয়াম কানুন তোয়াক্কা করে না এবং কারও কোন কথাও শুনে না। তিনি এক বছর যাবৎ পরিষদে আসে না। সে ক্যাসিনো জুয়ার সাথে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে তা সমস্ত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তার উদ্দেশ্য হলো আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা। সে আমার প্রতি রাগে ও ক্ষোভে বিভিন্ন জায়গাতে অভিযোগ দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুর রহামান আবুল ও ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া একটি করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।