ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়িয়ে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির জামালপুরে রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ উদ্বোধন ফলবান কলাগাছ কর্তনের ন্যায্য বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত মাদারগঞ্জে ছাগল-ভেড়ার পিপিআর রোগ নির্মূলে টিকাদান কর্মসূচি শুরু প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া আবশ্যক : রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজা পালনে সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নকলায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের অভিযোগ

গনপদ্দী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল

গনপদ্দী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল

শফিউল আলম লাভলু
নকলা প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুলের বিরুদ্ধে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সোহেল মিয়া নামের এক গ্রাম পুলিশ। গত ২৮ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাবর অভিযোগ পত্র জমা দেন সোহেল মিয়া।

সোহেল মিয়ার লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে গনপদ্দী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন সোহেল মিয়া। সে ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মরত আছেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়াকে সব সময় অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দিতেন। এসব নির্দেশ পালনে অনিহা প্রকাশ করতেন সোহেল মিয়া। সোহেলের পারিবারিক বিষয়াদী নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে উভয় পক্ষের মামলা মোকাদ্দমা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আবুল সুযোগ সন্ধানী হিসেবে সেই মোকাদ্দমাকে কেন্দ্র করে সোহেলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। গত ৩০ মার্চ থেকে সব গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব বন্টন হয় সপ্তাহে একদিন। কিন্তু গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়ার বেলায় সপ্তাহে প্রতিদিন (সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত)। এমন একটি চিঠিও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেলকে দেন।

গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া বলেন, আমার প্রতিবেশি নূর আলমের সাথে (উভয় পক্ষের) মামলা মোকাদ্দমা রয়েছে। সেটা তদন্তাধীন ও বিচারাধীন। ইউপি চেয়ারম্যান মূলত নূর আলমকে দিয়ে মামলা করিয়ে আমাকে আসামি করেছেন। চেয়ারম্যানের কথা হলো আমার চাকরি খেয়ে নিবে। তাহলে পদ শূন্য হবে। নতুন করে আরেকজনকে নিতে পারবে। কারণ নতুন লোক নিতে পারলেই লাভ। এছাড়াও চেয়ারম্যান আমাকে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের হুকুম দিতেন।

অভিযোগের বিষয়ে গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল বলেন, সোহেল মিয়া একজন মামলাবাজ। সে পরিষদের কোন নিয়াম কানুন তোয়াক্কা করে না এবং কারও কোন কথাও শুনে না। তিনি এক বছর যাবৎ পরিষদে আসে না। সে ক্যাসিনো জুয়ার সাথে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে তা সমস্ত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তার উদ্দেশ্য হলো আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা। সে আমার প্রতি রাগে ও ক্ষোভে বিভিন্ন জায়গাতে অভিযোগ দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুর রহামান আবুল ও ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া একটি করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী

নকলায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রাম পুলিশের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:২৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪
গনপদ্দী ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল

শফিউল আলম লাভলু
নকলা প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুলের বিরুদ্ধে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন সোহেল মিয়া নামের এক গ্রাম পুলিশ। গত ২৮ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বরাবর অভিযোগ পত্র জমা দেন সোহেল মিয়া।

সোহেল মিয়ার লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে গনপদ্দী ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন সোহেল মিয়া। সে ওই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মরত আছেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়াকে সব সময় অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের নির্দেশ দিতেন। এসব নির্দেশ পালনে অনিহা প্রকাশ করতেন সোহেল মিয়া। সোহেলের পারিবারিক বিষয়াদী নিয়ে প্রতিবেশীর সাথে উভয় পক্ষের মামলা মোকাদ্দমা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান আবুল সুযোগ সন্ধানী হিসেবে সেই মোকাদ্দমাকে কেন্দ্র করে সোহেলের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। গত ৩০ মার্চ থেকে সব গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব বন্টন হয় সপ্তাহে একদিন। কিন্তু গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়ার বেলায় সপ্তাহে প্রতিদিন (সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত)। এমন একটি চিঠিও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল গ্রাম পুলিশ সোহেলকে দেন।

গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া বলেন, আমার প্রতিবেশি নূর আলমের সাথে (উভয় পক্ষের) মামলা মোকাদ্দমা রয়েছে। সেটা তদন্তাধীন ও বিচারাধীন। ইউপি চেয়ারম্যান মূলত নূর আলমকে দিয়ে মামলা করিয়ে আমাকে আসামি করেছেন। চেয়ারম্যানের কথা হলো আমার চাকরি খেয়ে নিবে। তাহলে পদ শূন্য হবে। নতুন করে আরেকজনকে নিতে পারবে। কারণ নতুন লোক নিতে পারলেই লাভ। এছাড়াও চেয়ারম্যান আমাকে অসামাজিক, অনৈতিক ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের হুকুম দিতেন।

অভিযোগের বিষয়ে গনপদ্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শামছুর রহমান আবুল বলেন, সোহেল মিয়া একজন মামলাবাজ। সে পরিষদের কোন নিয়াম কানুন তোয়াক্কা করে না এবং কারও কোন কথাও শুনে না। তিনি এক বছর যাবৎ পরিষদে আসে না। সে ক্যাসিনো জুয়ার সাথে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এনেছে তা সমস্ত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তার উদ্দেশ্য হলো আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা। সে আমার প্রতি রাগে ও ক্ষোভে বিভিন্ন জায়গাতে অভিযোগ দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া উম্মুল বানিন বলেন, নকলা উপজেলার গনপদ্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুর রহামান আবুল ও ওই ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সোহেল মিয়া একটি করে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।