ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত বিএনপির সাবেক মহাসচিব সালাম তালুকদার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মক্তবের শিশু ধর্ষণকারী হুজুরের আট বছরের জেল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মসজিদভিত্তিক মক্তবের পাঁচ বছর বয়সের শিশুকে ধর্ষণ মামলার রায়ে একমাত্র আসামি ওই মসজিদের ইমাম মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলাম ওরফে মনি হুজুরকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১১ জানুয়ারি জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার পাঁচ বছর বয়সের শিশুটি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ভাটিরপাড়া গ্রামের এক গার্মেন্টকর্মী দম্পতির মেয়ে। বাড়িতে সে তার নানীর কাছে থাকতো। পাশের ভাঙ্গারগ্রাম জামে মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মক্তবে প্রতিদিন সকালে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে পড়তে যেত শিশুটি। ২০১৯ সালের ২ অক্টোবর সকালের পাঠদান শেষে সব শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই শিশুটিকে আটক রেখে মসজিদের ভেতরে ধর্ষণ করেন মাওলানা মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় শিশুটির নানী বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে ঘটনার পরের দিন ৩ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১১ জানুয়ারি দুপুরে বিচারক উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন। মামলার রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলামকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলাম দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ভাঙ্গার গ্রামের মো. শুক্কুর আলীর ছেলে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মক্তবের শিশু ধর্ষণকারী হুজুরের আট বছরের জেল

আপডেট সময় ০৮:০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মসজিদভিত্তিক মক্তবের পাঁচ বছর বয়সের শিশুকে ধর্ষণ মামলার রায়ে একমাত্র আসামি ওই মসজিদের ইমাম মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলাম ওরফে মনি হুজুরকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১১ জানুয়ারি জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার পাঁচ বছর বয়সের শিশুটি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ভাটিরপাড়া গ্রামের এক গার্মেন্টকর্মী দম্পতির মেয়ে। বাড়িতে সে তার নানীর কাছে থাকতো। পাশের ভাঙ্গারগ্রাম জামে মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মক্তবে প্রতিদিন সকালে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে পড়তে যেত শিশুটি। ২০১৯ সালের ২ অক্টোবর সকালের পাঠদান শেষে সব শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই শিশুটিকে আটক রেখে মসজিদের ভেতরে ধর্ষণ করেন মাওলানা মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় শিশুটির নানী বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে ঘটনার পরের দিন ৩ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১১ জানুয়ারি দুপুরে বিচারক উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন। মামলার রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলামকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলাম দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ভাঙ্গার গ্রামের মো. শুক্কুর আলীর ছেলে।