ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

মক্তবের শিশু ধর্ষণকারী হুজুরের আট বছরের জেল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মসজিদভিত্তিক মক্তবের পাঁচ বছর বয়সের শিশুকে ধর্ষণ মামলার রায়ে একমাত্র আসামি ওই মসজিদের ইমাম মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলাম ওরফে মনি হুজুরকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১১ জানুয়ারি জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার পাঁচ বছর বয়সের শিশুটি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ভাটিরপাড়া গ্রামের এক গার্মেন্টকর্মী দম্পতির মেয়ে। বাড়িতে সে তার নানীর কাছে থাকতো। পাশের ভাঙ্গারগ্রাম জামে মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মক্তবে প্রতিদিন সকালে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে পড়তে যেত শিশুটি। ২০১৯ সালের ২ অক্টোবর সকালের পাঠদান শেষে সব শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই শিশুটিকে আটক রেখে মসজিদের ভেতরে ধর্ষণ করেন মাওলানা মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় শিশুটির নানী বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে ঘটনার পরের দিন ৩ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১১ জানুয়ারি দুপুরে বিচারক উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন। মামলার রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলামকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলাম দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ভাঙ্গার গ্রামের মো. শুক্কুর আলীর ছেলে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

মক্তবের শিশু ধর্ষণকারী হুজুরের আট বছরের জেল

আপডেট সময় ০৮:০৬:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় মসজিদভিত্তিক মক্তবের পাঁচ বছর বয়সের শিশুকে ধর্ষণ মামলার রায়ে একমাত্র আসামি ওই মসজিদের ইমাম মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলাম ওরফে মনি হুজুরকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১১ জানুয়ারি জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার পাঁচ বছর বয়সের শিশুটি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ভাটিরপাড়া গ্রামের এক গার্মেন্টকর্মী দম্পতির মেয়ে। বাড়িতে সে তার নানীর কাছে থাকতো। পাশের ভাঙ্গারগ্রাম জামে মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মক্তবে প্রতিদিন সকালে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে পড়তে যেত শিশুটি। ২০১৯ সালের ২ অক্টোবর সকালের পাঠদান শেষে সব শিক্ষার্থীকে ছুটি দিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই শিশুটিকে আটক রেখে মসজিদের ভেতরে ধর্ষণ করেন মাওলানা মনিরুল ইসলাম। এ ঘটনায় শিশুটির নানী বাদী হয়ে অভিযুক্ত ওই মক্তবের হুজুর মাওলানা মনিরুল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে ঘটনার পরের দিন ৩ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ১১ জানুয়ারি দুপুরে বিচারক উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন। মামলার রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলামকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মাওলানা মনিরুল ইসলাম দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের ভাঙ্গার গ্রামের মো. শুক্কুর আলীর ছেলে।