ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বকশীগঞ্জে শিক্ষকের দুই শতাধিক গাছের চারা ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

ভেঙে ফেলা কয়েকটি চারা গাছ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ভেঙে ফেলা কয়েকটি চারা গাছ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষকের দুই শতাধিক ফলজ ও বনজ গাছের চারা ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে মেরুরচর ইউনিয়নের পুরান টুপকারচর গ্রামে।

এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ১৫ জুন রাতে কে বা কারা প্রায় দুই শতাধিক গাছের চারা ভেঙে ফেলেছে।

চারা গাছের মালিক ও ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিশিরুল ইসলাম জানান, ১৫ জুন রাতে তার একটি বাগানের বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা ভেঙে ফেলা হয়। ১৬ জুন সকালে তিনি তার বাগানে গিয়ে সব চারা গাছ ভেঙে ফেলা দেখতে পান। এতে প্রায় দুই শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও কাঠের গাছের চারা ভেঙে ফেলা হয়। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে ওই শিক্ষকের সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কেউ এ কাজটি করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে পরিবেশ ধ্বংসকারী দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনা হোক।

শিশিরুল ইসলাম জানান, তার আরেকটি কাঠের বাগান রয়েছে, সেটি নিয়েও তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন সহকারী শিক্ষক শিশিরুল ইসলাম। বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাটির তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে শিক্ষকের দুই শতাধিক গাছের চারা ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২০
ভেঙে ফেলা কয়েকটি চারা গাছ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক স্কুল শিক্ষকের দুই শতাধিক ফলজ ও বনজ গাছের চারা ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে মেরুরচর ইউনিয়নের পুরান টুপকারচর গ্রামে।

এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ১৫ জুন রাতে কে বা কারা প্রায় দুই শতাধিক গাছের চারা ভেঙে ফেলেছে।

চারা গাছের মালিক ও ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিশিরুল ইসলাম জানান, ১৫ জুন রাতে তার একটি বাগানের বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা ভেঙে ফেলা হয়। ১৬ জুন সকালে তিনি তার বাগানে গিয়ে সব চারা গাছ ভেঙে ফেলা দেখতে পান। এতে প্রায় দুই শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও কাঠের গাছের চারা ভেঙে ফেলা হয়। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে ওই শিক্ষকের সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কেউ এ কাজটি করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে পরিবেশ ধ্বংসকারী দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনা হোক।

শিশিরুল ইসলাম জানান, তার আরেকটি কাঠের বাগান রয়েছে, সেটি নিয়েও তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন সহকারী শিক্ষক শিশিরুল ইসলাম। বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাটির তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন।