ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরো ছয়জন করোনা আক্রান্ত!

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে দুই চিকিৎসক ও পুলিশের এক কর্মকর্তাসহ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরো ছয়জন। ১৭ এপ্রিল রাতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা ফোকাল পারসন চিকিৎসক মোবারক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আক্রান্তরা হচ্ছেন নকলা উপজেলা হাসপাতালের দুইজন চিকিৎসক, ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা, জেলা সদর হাসপাতালের এক অ্যাম্বুলেন্স চালক, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক পিয়ন ও নারায়ণগঞ্জ ফেরত সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়নের রসূলপুর গ্রামের এক যুবক। এদের সবাইকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুর রহমান জানান, এর প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক উপজেলা হাসপাতালসহ আশপাশের বাজার্দী ও বাদাগৈড় এলাকার ৩০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

চিকিৎসক মোবারক জানান, ঝিনাইগাতী থানায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্টদের সংস্পর্শে আসা অর্ধশতাধিক করোনা সন্দেহভাজনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, জেলায় মোট আক্রান্ত ১৫ জনের মধ্যে ৮ জনই স্বাস্থ্য বিভাগের। তবে প্রথম করোনা আক্রান্ত দুই নারী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন ১৩ জন।

এ সম্পর্কে সিভিল সার্জন চিকিৎসক এ কে এম আনোয়ারুর রউফ জানান, ১৬ এপ্রিল শেরপুর থেকে করোনা সন্দেহে ৩৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে তা পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিট ল্যাবে পাঠানো হয়। ১৭ এপ্রিল হাতে পাওয়া প্রতিবেদনে দুই চিকিৎসক, পুলিশের এক কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্মচারীসহ ছয়জনের নমুনায় করোনা ভাইরাস পজিটিভ আসে। এছাড়া আজ আরো ৩৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে চিকিৎসক ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরো ছয়জন করোনা আক্রান্ত!

আপডেট সময় ০৯:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২০

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরে দুই চিকিৎসক ও পুলিশের এক কর্মকর্তাসহ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরো ছয়জন। ১৭ এপ্রিল রাতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা ফোকাল পারসন চিকিৎসক মোবারক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আক্রান্তরা হচ্ছেন নকলা উপজেলা হাসপাতালের দুইজন চিকিৎসক, ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা, জেলা সদর হাসপাতালের এক অ্যাম্বুলেন্স চালক, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক পিয়ন ও নারায়ণগঞ্জ ফেরত সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়নের রসূলপুর গ্রামের এক যুবক। এদের সবাইকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুর রহমান জানান, এর প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক উপজেলা হাসপাতালসহ আশপাশের বাজার্দী ও বাদাগৈড় এলাকার ৩০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

চিকিৎসক মোবারক জানান, ঝিনাইগাতী থানায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্টদের সংস্পর্শে আসা অর্ধশতাধিক করোনা সন্দেহভাজনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, জেলায় মোট আক্রান্ত ১৫ জনের মধ্যে ৮ জনই স্বাস্থ্য বিভাগের। তবে প্রথম করোনা আক্রান্ত দুই নারী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত রোগী রয়েছেন ১৩ জন।

এ সম্পর্কে সিভিল সার্জন চিকিৎসক এ কে এম আনোয়ারুর রউফ জানান, ১৬ এপ্রিল শেরপুর থেকে করোনা সন্দেহে ৩৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে তা পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিট ল্যাবে পাঠানো হয়। ১৭ এপ্রিল হাতে পাওয়া প্রতিবেদনে দুই চিকিৎসক, পুলিশের এক কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্মচারীসহ ছয়জনের নমুনায় করোনা ভাইরাস পজিটিভ আসে। এছাড়া আজ আরো ৩৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।