ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শেরপুরে নৈশপ্রহরী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলায় মাছের খামারের নৈশপ্রহরী আব্দুর রফিককে খুনের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন শাহীন মিয়া ও জরিনা বেগম। ৩০ মার্চ সকালে সদর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যদের যৌথ অভিযানে অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হন। এর আগে ২৯ মার্চ রাতে নিহত রফিকের ছেলে হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামী করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই দিন সকালে শেরপুরের নকলার চায়ড়াবিলে প্রতিপক্ষের রামদায়ের উপর্যুপরি কোপে নিহত হন রফিক।

সদর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, শাহীন মিয়াকে বানেশ্বরদী ইউনিয়নের মোজার বাজার এলাকা থেকে ও জরিনা বেগকে সদর থানার আন্ধারিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীরা এখনও পলাতক রয়েছে। তবে তাদেরকে ধরতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত রফিক চায়ড়া বিলের একটি মাছের খামারে নৈশপ্রহরী হিসেবে চাকরি করতেন। ওই মাছের খামারের পাড় সংলগ্ন খামারের মালিক জামান মিয়ার পুকুরে রফিক মাছ ধরতে গেলে প্রতিপক্ষের কয়েকজন তাকে মাছ ধরতে বাধা দেয়। এ সময় বারেক, বাদাম, জলিল, সোবহান, আঙ্গুর, কাদির, চাঁন মিয়া, মোস্তফা, সুলতান, রুবেল, জরিনা, নুরেজা ও রহুলসহ সংঘবদ্ধ কয়েকজন রফিকের সাথে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা রফিককে রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এছাড়া লাশ গুম করার চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে নিহত রফিকের স্ত্রী, ছেলে হাফিজুর রহমানসহ গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পোঁছায়। এ সময় প্রতিপক্ষের সবাই লাশ ফেলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হলে দুইজনকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

শেরপুরে নৈশপ্রহরী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৯:৪০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলায় মাছের খামারের নৈশপ্রহরী আব্দুর রফিককে খুনের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন শাহীন মিয়া ও জরিনা বেগম। ৩০ মার্চ সকালে সদর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যদের যৌথ অভিযানে অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হন। এর আগে ২৯ মার্চ রাতে নিহত রফিকের ছেলে হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামী করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই দিন সকালে শেরপুরের নকলার চায়ড়াবিলে প্রতিপক্ষের রামদায়ের উপর্যুপরি কোপে নিহত হন রফিক।

সদর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, শাহীন মিয়াকে বানেশ্বরদী ইউনিয়নের মোজার বাজার এলাকা থেকে ও জরিনা বেগকে সদর থানার আন্ধারিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীরা এখনও পলাতক রয়েছে। তবে তাদেরকে ধরতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত রফিক চায়ড়া বিলের একটি মাছের খামারে নৈশপ্রহরী হিসেবে চাকরি করতেন। ওই মাছের খামারের পাড় সংলগ্ন খামারের মালিক জামান মিয়ার পুকুরে রফিক মাছ ধরতে গেলে প্রতিপক্ষের কয়েকজন তাকে মাছ ধরতে বাধা দেয়। এ সময় বারেক, বাদাম, জলিল, সোবহান, আঙ্গুর, কাদির, চাঁন মিয়া, মোস্তফা, সুলতান, রুবেল, জরিনা, নুরেজা ও রহুলসহ সংঘবদ্ধ কয়েকজন রফিকের সাথে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে একপর্যায়ে প্রতিপক্ষরা রফিককে রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এছাড়া লাশ গুম করার চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে নিহত রফিকের স্ত্রী, ছেলে হাফিজুর রহমানসহ গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পোঁছায়। এ সময় প্রতিপক্ষের সবাই লাশ ফেলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হলে দুইজনকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।