ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল!

ইসলামপুরে বন্দুক যুদ্ধে আলী ডাকাত নিহত, অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্ধুক যুদ্ধে’ নিহত মো. আলী ওরফে আলী ডাকাত।

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্ধুক যুদ্ধে’ নিহত মো. আলী ওরফে আলী ডাকাত।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, নৌ-ডাকাতি ও মাদকসহ ১২ মামলার পলাতক আসামি মো. আলী ওরফে আলী ডাকাত (৪০) পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্ধুক যুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। ৩ ডিসেম্বর ভোররাতে যমুনার দুর্গম কুতুবুল্লার চরে এ ঘটনা ঘটে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার, কিরিচ, রামদা ও ৫০০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ইসলামপুর সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সুমন মিয়ার ভাষ্যমতে, ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইসলামপুর উপজেলার যমুনার দুর্গম প্রজাপতির চরে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় সেখানে পুলিশি অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় একটি নৌকা থেকে ডাকাতিসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি সাবেক ইউপি সদস্য মো. আলী ওরফে আলী ডাকাত ও তার সহযোগী নুপুর আক্তার (২৬) নামের এক নারীকে কিরিচ, রামদাসহ আটক করে ইসলামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে মো. আলীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের জন্য ২ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে যমুনার নদীর দুর্গম কুতুবুল্লার চরে ফের অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় বালিতে পুঁতে রাখা একটি বিদেশি রিভলভার ও ৫০০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে মো. আলীকে নিয়ে নৌকায় ফেরার পথে নদীতীরে ওৎ পেতে থাকা ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় মো. আলী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। ৩ ডিসেম্বর ভোরে তাকে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুক যুদ্ধের সময় ইসলামপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ, পুলিশ সদস্য টিটু সরকার ও রাকিবুল ইসলাম আহত হয়েছেন। তারা ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এদিকে জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বাছির উদ্দিন ৩ ডিসেম্বর দুপুরে তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দুক যুদ্ধের সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, নিহত ডাকাত সরদার মো. আলীর মরদেহ ময়নাতদন্ত করে তার পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তার সহযোগী আটক নুপুর আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এ ঘটনায় অস্ত্র, মাদক, পুলিশের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনায় ইসলামপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হবে বলেও তিনি জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত

ইসলামপুরে বন্দুক যুদ্ধে আলী ডাকাত নিহত, অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট সময় ০৬:৫৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৯
পুলিশের সঙ্গে ‘বন্ধুক যুদ্ধে’ নিহত মো. আলী ওরফে আলী ডাকাত।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, নৌ-ডাকাতি ও মাদকসহ ১২ মামলার পলাতক আসামি মো. আলী ওরফে আলী ডাকাত (৪০) পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্ধুক যুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। ৩ ডিসেম্বর ভোররাতে যমুনার দুর্গম কুতুবুল্লার চরে এ ঘটনা ঘটে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার, কিরিচ, রামদা ও ৫০০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ইসলামপুর সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সুমন মিয়ার ভাষ্যমতে, ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইসলামপুর উপজেলার যমুনার দুর্গম প্রজাপতির চরে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় সেখানে পুলিশি অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় একটি নৌকা থেকে ডাকাতিসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি সাবেক ইউপি সদস্য মো. আলী ওরফে আলী ডাকাত ও তার সহযোগী নুপুর আক্তার (২৬) নামের এক নারীকে কিরিচ, রামদাসহ আটক করে ইসলামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে মো. আলীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের জন্য ২ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে যমুনার নদীর দুর্গম কুতুবুল্লার চরে ফের অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় বালিতে পুঁতে রাখা একটি বিদেশি রিভলভার ও ৫০০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে মো. আলীকে নিয়ে নৌকায় ফেরার পথে নদীতীরে ওৎ পেতে থাকা ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় মো. আলী গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। ৩ ডিসেম্বর ভোরে তাকে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুক যুদ্ধের সময় ইসলামপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল লতিফ, পুলিশ সদস্য টিটু সরকার ও রাকিবুল ইসলাম আহত হয়েছেন। তারা ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এদিকে জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বাছির উদ্দিন ৩ ডিসেম্বর দুপুরে তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বন্দুক যুদ্ধের সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, নিহত ডাকাত সরদার মো. আলীর মরদেহ ময়নাতদন্ত করে তার পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তার সহযোগী আটক নুপুর আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এ ঘটনায় অস্ত্র, মাদক, পুলিশের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনায় ইসলামপুর থানায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হবে বলেও তিনি জানান।