ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

মাদারগঞ্জে সড়ক ও ড্রেন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

মাদারগঞ্জ : সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় দুই কোটি টাকার সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের ইটের খোয়া ও ইট ব্যবহার করে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের চাতল বিল সড়কের এক কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দুই কোটি চার লাখ তিন হাজার ৫৪২ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। তবে কাজটি বাস্তবায়ন করছেন স্থানীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স বাসনা ট্রেডার্স। পরে প্রকল্পে ড্রেন নির্মাণের কাজও যুক্ত করা হয়। তবে সংশোধিত (রিভাইজড) প্রকল্পের ব্যয়ের পরিমাণ জানা যায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু করেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার সাববেজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মাণাধীন সাইড ড্রেনেও নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া রাস্তার পাশের মাটি ভরাটের কাজও দায়সারাভাবে করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ঠিকাদার আব্দুল কদ্দুস রুনু এই প্রতিবেদককে বলেন, আপনি অফিসে এসে রিপোর্ট করেন যে দুই নম্বর খোয়া ইট ব্যবহার করা হয়েছে। জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সেন) এসে পরিদর্শন করুক। যদি খারাপ মানের খোয়া পাওয়া যায়, তাহলে তা তুলে ফেলা হবে।

কাজের দায়িত্বে থাকা সার্ভেয়ার আব্দুল হাকিম এই প্রতিবেদককে বলেন, এই কাজের দায়িত্বে ছিলেন উপসহকারী প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান। তিনি পদোন্নতির কারণে অন্যত্র চলে গেছেন। গত সপ্তাহে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী স্যারের সঙ্গে আমরা সড়কটি পরিদর্শনে যাবো। নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়ে থাকলে তা অপসারণ করা হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে বলেন, নিম্নমানের ইট ব্যবহারের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নজরে এসেছে। আমি এবং নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিনে যাব। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

মাদারগঞ্জে সড়ক ও ড্রেন নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় দুই কোটি টাকার সড়ক ও ড্রেন নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের ইটের খোয়া ও ইট ব্যবহার করে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের চাতল বিল সড়কের এক কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। দুই কোটি চার লাখ তিন হাজার ৫৪২ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। তবে কাজটি বাস্তবায়ন করছেন স্থানীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স বাসনা ট্রেডার্স। পরে প্রকল্পে ড্রেন নির্মাণের কাজও যুক্ত করা হয়। তবে সংশোধিত (রিভাইজড) প্রকল্পের ব্যয়ের পরিমাণ জানা যায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু করেছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার সাববেজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মাণাধীন সাইড ড্রেনেও নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া রাস্তার পাশের মাটি ভরাটের কাজও দায়সারাভাবে করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় ঠিকাদার আব্দুল কদ্দুস রুনু এই প্রতিবেদককে বলেন, আপনি অফিসে এসে রিপোর্ট করেন যে দুই নম্বর খোয়া ইট ব্যবহার করা হয়েছে। জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এক্সেন) এসে পরিদর্শন করুক। যদি খারাপ মানের খোয়া পাওয়া যায়, তাহলে তা তুলে ফেলা হবে।

কাজের দায়িত্বে থাকা সার্ভেয়ার আব্দুল হাকিম এই প্রতিবেদককে বলেন, এই কাজের দায়িত্বে ছিলেন উপসহকারী প্রকৌশলী জিয়াউর রহমান। তিনি পদোন্নতির কারণে অন্যত্র চলে গেছেন। গত সপ্তাহে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী স্যারের সঙ্গে আমরা সড়কটি পরিদর্শনে যাবো। নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়ে থাকলে তা অপসারণ করা হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে বলেন, নিম্নমানের ইট ব্যবহারের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নজরে এসেছে। আমি এবং নির্বাহী প্রকৌশলী সরেজমিনে যাব। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।