ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে হবে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পানি জমে মরে গেছে জামালপুরে হর্টিকালচার সেন্টারের ১৩৭টি মাতৃ লিচু গাছ শরিফপুরে ত্রিশ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন দুই নেতা টিএসপিতে অসামান্য অবদানে মিজানুর রহমানকে সংবর্ধনা জামালপুর ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি হলেন এমপি মামুন, তরিকুল সম্পাদক দেওয়ানগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ হাইড্রোলিক পাম্পে উঁচু হল দেবে যাওয়া ইসলামপুরের আগারী সেতু মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত আবদুল্লাহ আল-হারুন : জার্মানিতে বাসরত বহুমুখী প্রতিভাধর বাংলাভাষী লেখক সড়ক সংস্কার করে দিলেন ফাহাদ হোসেন

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ ৭ জনকে মৃত্যুদন্ড

জামালপুর : গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আসামিদের আদালতে হাজির করে কোর্ট পুলিশ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ সাত জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। এই মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

৬ জুলাই, সোমবার বেলা ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ইউপি সদস্য মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু, মো. বিজু মিয়া, মো. বাদশা মিয়া, মো. জুয়েল মিয়া, জসিম ও আছমত। এছাড়া, মামলায় আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি মো. ইদ্রিস আলীকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

এ বিষয়ে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন আসামিরা। এ ঘটনায় পর বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

তিনি আরও জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, আলামত ও অন্যান্য উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাতজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডাদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন।

এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আইনজীবী মো. মোকাম্মেল হক।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে হবে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ ৭ জনকে মৃত্যুদন্ড

আপডেট সময় ১০:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ সাত জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। এই মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

৬ জুলাই, সোমবার বেলা ৩টায় জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ইউপি সদস্য মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু, মো. বিজু মিয়া, মো. বাদশা মিয়া, মো. জুয়েল মিয়া, জসিম ও আছমত। এছাড়া, মামলায় আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসামি মো. ইদ্রিস আলীকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।

এ বিষয়ে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন আসামিরা। এ ঘটনায় পর বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

তিনি আরও জানান, মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, আলামত ও অন্যান্য উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাতজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডাদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে হাজির ছিলেন।

এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আইনজীবী মো. মোকাম্মেল হক।