ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিনদিন পর মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

দেওয়ানগঞ্জ : পানিতে ডুবে নিহত শিশু রেদুয়ান মাহমুদ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মাদরাসাছাত্র রেদুয়ান মাহমুদের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। ৮ জুন, সোমবার দুপুরে যমুনা নদীর চরডাকাতিয়া হাজারি এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

​নিহত রেদুয়ান মাহমুদ উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি গ্রামের আলিম মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় ইদ্রিসিয়া দারুল উলুম মাদরাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত।

​পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৬ জুন, শনিবার বিকালে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে খোলাবাড়ি এলাকায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নামে রেদুয়ান। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতে সে তলিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারকে খবর দেয়।

পরে স্বজনেরা ফায়ার সার্ভিসে যোগাযোগ করেন। জামালপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদীতে শিশুটির অনুসন্ধান চালান।

​জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার শহিদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, খবর পেয়ে ডুবুরি দল ৬ জুন বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নদীতে অনুসন্ধান চালান। কিন্তু প্রথম দফায় নিখোঁজ ওই শিশুটির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ কারণে ফায়ার সার্ভিস সাময়িকভাবে অনুসন্ধান কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে।

পরবর্তীতে ৮ জুন দুপুরে যমুনা নদীতে রেদুয়ানের মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী তা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

​দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, নিখোঁজ ওই শিশুটির মরদেহ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

তিনদিন পর মাদরাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মাদরাসাছাত্র রেদুয়ান মাহমুদের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। ৮ জুন, সোমবার দুপুরে যমুনা নদীর চরডাকাতিয়া হাজারি এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

​নিহত রেদুয়ান মাহমুদ উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি গ্রামের আলিম মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় ইদ্রিসিয়া দারুল উলুম মাদরাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত।

​পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৬ জুন, শনিবার বিকালে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে খোলাবাড়ি এলাকায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নামে রেদুয়ান। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতে সে তলিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারকে খবর দেয়।

পরে স্বজনেরা ফায়ার সার্ভিসে যোগাযোগ করেন। জামালপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নদীতে শিশুটির অনুসন্ধান চালান।

​জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার শহিদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, খবর পেয়ে ডুবুরি দল ৬ জুন বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নদীতে অনুসন্ধান চালান। কিন্তু প্রথম দফায় নিখোঁজ ওই শিশুটির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ কারণে ফায়ার সার্ভিস সাময়িকভাবে অনুসন্ধান কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে।

পরবর্তীতে ৮ জুন দুপুরে যমুনা নদীতে রেদুয়ানের মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী তা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

​দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, নিখোঁজ ওই শিশুটির মরদেহ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করেছেন।