ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন
গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত

জামালপুর : গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও অধ্যাপক ডাক্তার জাকির হোসেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সৃষ্টিশীল ও সুন্দর মানুষ তৈরির সোপান হলো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার উন্নয়নে বেসরকারি অনেক কার্যক্রম বা উদ্যোগের অবদান অনস্বীকার্য। স্বাধীনতার পর থেকে বেসরকারি অনেক উন্নয়ন শিক্ষা খাতে বিশেষ নজর দিয়েছে, এখনো তাদের অনেকের প্রয়াস চলমান। বড় বড় সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির ছোট ছোট কিছু কার্যক্রম এতটাই প্রভাব বিস্তারকারী যে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসে।

এমনটিই দেখা যাচ্ছে বাংলা একাডেমির ফেলো দেশবিখ্যাত মেডিসিনের কিংবদন্তি অধ্যাপক ডা. মো.জাকির হোসেনের বাবা ডা. ওয়াছিম উদ্দিন আহমেদ ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু করিম বকসের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় তাঁদের নামে বগুড়ার ধুনটের গোসাইবাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত ‘গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন (সংক্ষেপে এ. ও.) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে’র ক্ষেত্রে।

উল্লেখ্য, স্কুলটি প্রতিষ্ঠায় ডাক্তার আব্দুল খালেক সরকারসহ স্থানীয় বিদ্বোৎসাহী, সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী মানুষ মেধা দিয়ে, শ্রম দিয়ে , শিক্ষার্থী দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

‘গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ এতদঞ্চলের মধ্যে প্রথম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এই অঞ্চলে নারী শিক্ষার পথিকৃৎ এ প্রতিষ্ঠান। আশির দশকে এই হাইস্কুল এমপিওভুক্ত হয় ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে। এই বিদ্যালয়ের একটি বিশেষত্ব হলো এই যে, পরীক্ষার অল্প ফিসসহ বিনা বেতনে পড়ানো হয় যা এদেশে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে বিরল। এর ফলে স্কুলের শিক্ষার্থীসংখ্যা এবং পাসের হার বেশি।

শিক্ষানুরাগী অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন ও তার পরিবারের অপরাপর সদস্যদের সহযোগিতা এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়ন করেছেন এ বিদ্যালয়।

ঝরে পড়া ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাদের প্রদত্ত ডা. ওয়াছিম-ওয়ালেদা শিক্ষাবৃত্তি এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। স্কুলটির কাঠামোগত উন্নয়নের জন্য নানা পরিকল্পনা রয়েছে। অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন বিদ্যালয়ের নিকটস্থ একটি গণগ্রন্থাগার স্থাপন করেছেন। এই গ্রন্থাগারে ভাষা ও অভিধান, জাতীয় কোষ বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ধর্মীয় বই, উপন্যাস, জীবনী, স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার, শিশু-কিশোর বই, সায়েন্স ফিকশন, গল্প, অনুবাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ভ্রমণ ও প্রবাস, পাঠ্যসহায়ক বইসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় ৫০টি বিষয়ের ওপর বর্তমানে ৪,০০০টি বই রয়েছে। গ্রন্থাগারে পত্রিকা পড়ার ব্যবস্থা আছে। লাইব্রেরিতে বই পড়তে কোনো টাকা লাগে না। বাড়িতে নিয়ে পড়তে হলে সদস্য হতে হয়।

‘গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে’র অনেক কৃতী ছাত্রী বেরিয়ে গেছে। তারা আজ সমাজে নানা ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভের পর অল্প সময়ে উক্ত গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের দৃশ্যপট বদলে গেছে। প্রত্যন্ত এ জনপদে এবং এর আশপাশে কোনো বালিকা উচ্চবিদ্যালয় না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষার পরই সেখানকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষাজীবন বাঁধাগ্রস্ত হতো। জনপদটি দারিদ্র্যপীড়িত সন্তানেরা শিক্ষাদীক্ষায় বেশি দূর যেতেও পারে না।

এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেই সংকট কেটে গেছে। তাদের জন্য সত্যিকার অর্থে শিক্ষার আলো নিয়ে এসেছে বিদ্যালয়টি। এখানকার পাঠদানব্যবস্থা আধুনিক। খেলাধুলা, সাহিত্য–সংস্কৃতিচর্চা, শারীরিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শিতাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশস্থ জায়গায় সবুজ, নিরিবিলি ও বিশাল বিদ্যালয়টিতে কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি রয়েছে কম্পিউটার শিক্ষা। বইয়ের সমৃদ্ধ পাঠাগারসহ নানা ব্যতিক্রমী আয়োজন এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেশ এগিয়ে রেখেছে। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পরিসরেও সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে সেখানকার শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়টির ইতিবাচক প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে জনপদজুড়ে।

শাহ্ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান : লেখক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক। কর্মকর্তা, বাংলা একাডেমি

প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা অধ্যাপক ডা. মো.জাকির হোসেনের বাবা ডা. ওয়াছিম উদ্দিন আহমেদ ও তার বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু করিম বকসসহ স্থানীয় বিদ্বোৎসাহী, সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। সেই সঙ্গে স্কুল পরিচালনা কমিটি এবং শিক্ষক–কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই। প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা উত্তরোত্তর অব্যাহত থাকে, এটিই প্রত্যাশা।

লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক; অফিসার , বাংলা একাডেমি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত

আপডেট সময় ০৯:৫০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সৃষ্টিশীল ও সুন্দর মানুষ তৈরির সোপান হলো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষার উন্নয়নে বেসরকারি অনেক কার্যক্রম বা উদ্যোগের অবদান অনস্বীকার্য। স্বাধীনতার পর থেকে বেসরকারি অনেক উন্নয়ন শিক্ষা খাতে বিশেষ নজর দিয়েছে, এখনো তাদের অনেকের প্রয়াস চলমান। বড় বড় সংস্থার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির ছোট ছোট কিছু কার্যক্রম এতটাই প্রভাব বিস্তারকারী যে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসে।

এমনটিই দেখা যাচ্ছে বাংলা একাডেমির ফেলো দেশবিখ্যাত মেডিসিনের কিংবদন্তি অধ্যাপক ডা. মো.জাকির হোসেনের বাবা ডা. ওয়াছিম উদ্দিন আহমেদ ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু করিম বকসের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় তাঁদের নামে বগুড়ার ধুনটের গোসাইবাড়ীতে প্রতিষ্ঠিত ‘গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন (সংক্ষেপে এ. ও.) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে’র ক্ষেত্রে।

উল্লেখ্য, স্কুলটি প্রতিষ্ঠায় ডাক্তার আব্দুল খালেক সরকারসহ স্থানীয় বিদ্বোৎসাহী, সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী মানুষ মেধা দিয়ে, শ্রম দিয়ে , শিক্ষার্থী দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

‘গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’ এতদঞ্চলের মধ্যে প্রথম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এই অঞ্চলে নারী শিক্ষার পথিকৃৎ এ প্রতিষ্ঠান। আশির দশকে এই হাইস্কুল এমপিওভুক্ত হয় ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে। এই বিদ্যালয়ের একটি বিশেষত্ব হলো এই যে, পরীক্ষার অল্প ফিসসহ বিনা বেতনে পড়ানো হয় যা এদেশে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে বিরল। এর ফলে স্কুলের শিক্ষার্থীসংখ্যা এবং পাসের হার বেশি।

শিক্ষানুরাগী অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন ও তার পরিবারের অপরাপর সদস্যদের সহযোগিতা এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়ন করেছেন এ বিদ্যালয়।

ঝরে পড়া ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাদের প্রদত্ত ডা. ওয়াছিম-ওয়ালেদা শিক্ষাবৃত্তি এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। স্কুলটির কাঠামোগত উন্নয়নের জন্য নানা পরিকল্পনা রয়েছে। অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন বিদ্যালয়ের নিকটস্থ একটি গণগ্রন্থাগার স্থাপন করেছেন। এই গ্রন্থাগারে ভাষা ও অভিধান, জাতীয় কোষ বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ধর্মীয় বই, উপন্যাস, জীবনী, স্মৃতিচারণ ও সাক্ষাৎকার, শিশু-কিশোর বই, সায়েন্স ফিকশন, গল্প, অনুবাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ভ্রমণ ও প্রবাস, পাঠ্যসহায়ক বইসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় ৫০টি বিষয়ের ওপর বর্তমানে ৪,০০০টি বই রয়েছে। গ্রন্থাগারে পত্রিকা পড়ার ব্যবস্থা আছে। লাইব্রেরিতে বই পড়তে কোনো টাকা লাগে না। বাড়িতে নিয়ে পড়তে হলে সদস্য হতে হয়।

‘গোসাইবাড়ী করিম বকস ওয়াছিম উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে’র অনেক কৃতী ছাত্রী বেরিয়ে গেছে। তারা আজ সমাজে নানা ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভের পর অল্প সময়ে উক্ত গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের দৃশ্যপট বদলে গেছে। প্রত্যন্ত এ জনপদে এবং এর আশপাশে কোনো বালিকা উচ্চবিদ্যালয় না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষার পরই সেখানকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষাজীবন বাঁধাগ্রস্ত হতো। জনপদটি দারিদ্র্যপীড়িত সন্তানেরা শিক্ষাদীক্ষায় বেশি দূর যেতেও পারে না।

এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেই সংকট কেটে গেছে। তাদের জন্য সত্যিকার অর্থে শিক্ষার আলো নিয়ে এসেছে বিদ্যালয়টি। এখানকার পাঠদানব্যবস্থা আধুনিক। খেলাধুলা, সাহিত্য–সংস্কৃতিচর্চা, শারীরিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শিতাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশস্থ জায়গায় সবুজ, নিরিবিলি ও বিশাল বিদ্যালয়টিতে কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীর জন্য সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি রয়েছে কম্পিউটার শিক্ষা। বইয়ের সমৃদ্ধ পাঠাগারসহ নানা ব্যতিক্রমী আয়োজন এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বেশ এগিয়ে রেখেছে। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জাতীয় পরিসরেও সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে সেখানকার শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়টির ইতিবাচক প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে জনপদজুড়ে।

শাহ্ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান : লেখক, গবেষক ও প্রাবন্ধিক। কর্মকর্তা, বাংলা একাডেমি

প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা অধ্যাপক ডা. মো.জাকির হোসেনের বাবা ডা. ওয়াছিম উদ্দিন আহমেদ ও তার বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু করিম বকসসহ স্থানীয় বিদ্বোৎসাহী, সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। সেই সঙ্গে স্কুল পরিচালনা কমিটি এবং শিক্ষক–কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানাই। প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা উত্তরোত্তর অব্যাহত থাকে, এটিই প্রত্যাশা।

লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক; অফিসার , বাংলা একাডেমি।