ঢাকা ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত শোলাকুড়িতে বারতীর্থ স্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে চেয়ারম্যান বাবুকে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

বকশীগঞ্জ : জামানত বাজেয়াপ্ত প্রার্থী আব্দুর রউফ তালুকদার, রফিকুল ইসলাম ও এ কে এম ফজলুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের পর নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে জামানত রক্ষা নিয়ে। কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তিনজন প্রার্থীর। যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টির একেএম ফজলুল হক ও গণঅধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম।

১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০টি ভোট।

এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে চার হাজার ১২১টি ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকে এ কে এম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬টি ভোট।

বিধি অনুযায়ী কোন প্রার্থীর জামানত রক্ষা করতে হলে তাকে কমপক্ষে মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে। শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ব্যতীত বাকি তিনজন প্রার্থীর কেউ সেই হারে ভোট পাননি।

এরমধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন চার হাজার ১২১টি ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১টি ভোট ও গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকে ২২৬টি ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজয়োপ্ত হয়। জামানত রক্ষায় এই আসনের প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে ৩৪ হাজার ৫৯৪টি ভোট না পাওয়ায় ওই তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন,  এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছে। যারা প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তাদেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই আসনে ১২৮টি ভোট কেন্দ্রে চার লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটারের মধ্যে দুই লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। এরমধ্যে বৈধ ভোট পড়ে দুই লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪ ভোট। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ছিল ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ঐতিহ্যবাহী লাঠিবারি খেলা অনুষ্ঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ০৬:৪৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের পর নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে জামানত রক্ষা নিয়ে। কোন প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

জামালপুর-১ (বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ) আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তিনজন প্রার্থীর। যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুর রউফ তালুকদার, জাতীয় পার্টির একেএম ফজলুল হক ও গণঅধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম।

১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ ও এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক সাঈদী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০টি ভোট।

এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীকে চার হাজার ১২১টি ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকে এ কে এম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১ ভোট ও গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২২৬টি ভোট।

বিধি অনুযায়ী কোন প্রার্থীর জামানত রক্ষা করতে হলে তাকে কমপক্ষে মোট প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হবে। শুধুমাত্র বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ব্যতীত বাকি তিনজন প্রার্থীর কেউ সেই হারে ভোট পাননি।

এরমধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুর রউফ তালুকদার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন চার হাজার ১২১টি ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীক নিয়ে একেএম ফজলুল হক পেয়েছেন ৯৩১টি ভোট ও গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকে ২২৬টি ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত বাজয়োপ্ত হয়। জামানত রক্ষায় এই আসনের প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে ৩৪ হাজার ৫৯৪টি ভোট না পাওয়ায় ওই তিনজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন,  এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়েছে। যারা প্রাপ্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তাদেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই আসনে ১২৮টি ভোট কেন্দ্রে চার লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন ভোটারের মধ্যে দুই লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। এরমধ্যে বৈধ ভোট পড়ে দুই লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪ ভোট। এই আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ছিল ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ।